ওয়েব ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বদলাতে শুরু করেছে পাহাড়ের সমীকরণও। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিলেন বিমল গুরুং (Bimal Gurung) এবং রোশন গিরি (Roshan Giri)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত (Raju Bista) সহ পাহাড়ের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা।
বৈঠক শেষে পাহাড়ের উন্নয়ন এবং নাগরিক পরিষেবা বজায় রাখতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আপাতত দার্জিলিং ছাড়া কালিম্পং, কার্শিয়াং এবং মিরিক— এই তিন পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সরকারের দাবি, পুরবোর্ড না থাকলেও সাধারণ মানুষের পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে রাজ্যে শুরু জনগণনা, প্রথম ডিজিট্যালি জনগণনা, জানালেন শুভেন্দু অধিকারী
মুখ্যমন্ত্রী জানান, পাহাড় উন্নয়নের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা বাবদ ৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “জিটিএর (GTA) প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে বলেছি, বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পরিকল্পনা পাঠাতে। এতদিন প্রতি অর্থবর্ষে টাকা বরাদ্দ হলেও জিটিএ সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার দেখাতে পারেনি।”
এদিন জিটিএর কাজকর্ম নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, গত অর্থবর্ষে জিটিএর জন্য ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা না দেওয়ায় নতুন করে বরাদ্দ আটকে রয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে ১৭০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও এখনও পরিকল্পনা জমা পড়েনি বলে জানান তিনি।
উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বর্তমানে উত্তরবঙ্গে ২৫টি চা বাগান বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগেই ১ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু আগের সরকার প্রয়োজনীয় কমিটি গঠন না করায় সেই টাকা মেলেনি। তিনি জানান, টি বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যান সি মুরগানকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
দেখুন আরও খবর:







