কলকাতা: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দিকে ক্রমশ সরে যাচ্ছে বঙ্গোপসাগর থেকে তৈরি নিম্নচাপ (Rain Forecast)। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি। তাই মঙ্গলবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি চলবে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপটি ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে বিহারে প্রবেশ করতে পারে (Weather Update)।
মঙ্গলবার সকালে নিম্নচাপটি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ এবং সংলগ্ন ঝাড়খণ্ডের উপর অবস্থান করছিল। সেটি ঘণ্টায় প্রায় ১০ কিলোমিটার গতিতে এগোচ্ছে। রাঁচী থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার, গয়ার দক্ষিণ-পূর্বে ১৬০ কিলোমিটার এবং ডালটনগঞ্জের পূর্বে ২১০ কিলোমিটার দূরে ছিল নিম্নচাপের অবস্থান।
আরও খবর : রাজ্যে ফের কোভিডে মৃত্যু! প্রাণ গেল দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপারের
সোমবার দিনভর কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছে। কোথাও ভারী, কোথাও অতিভারী বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা হাওয়াও বইেছে। মঙ্গলবার সেই তুলনায় কলকাতায় বৃষ্টির তীব্রতা কমতে পারে। শহরে হালকা থেকে মাঝারি এবং বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলায় পরিস্থিতি তুলনামূলক ভাবে বেশি উদ্বেগের। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এই জেলাগুলিতে ৭০ থেকে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।
সোমবারের বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই কয়েকটি জায়গায় শতাধিক মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আসানসোলে ১৫৭.৫ মিলিমিটার, সিউড়িতে ১১৪.৮ মিলিমিটার এবং মেদিনীপুরে ১০৯.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও মঙ্গলবার এবং বুধবার দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে আগামী চার দিনও সতর্কতা বজায় থাকবে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।







