ওয়েব ডেস্ক : নেপালের (Nepal) ভয়াবহ হড়পা বানের (Flood) সম্ভাব্য কারণ নিয়ে সামনে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে একটি বরফ-পাথরের ধসের অস্তিত্ব মিলেছে। এই ধসই বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ নিয়ে ভয়াবহ জলস্রোত তৈরি করেছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
Planet Labs-এর প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে ২৫ ও ২৬ অগাস্টের পরিস্থিতির তুলনা করা হয়েছে। নেপাল-চিন সীমান্তের রাসুওয়াগাধি সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হিমবাহ সংলগ্ন এলাকায় বরফ ও পাথরের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে বলে জানানো হয়েছে।
আরও খবর : তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হড়পা বান, ভেসে গেল গ্রাম ও নির্মাণ প্রকল্প
প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ওই ধস কোনও হিমবাহ হ্রদে পড়ে জলস্তর বাড়িয়ে দিতে পারে অথবা নদীর গতিপথ আটকে দিয়েছিল। এরপর বরফ, গলিত জল এবং বিপুল পরিমাণ পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নিয়ে প্রবল জলস্রোত লহেন্দে খোলা নদী দিয়ে নেমে ভোতে কোশি নদীতে গিয়ে পড়ে। তার জেরেই বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এই বিপর্যয়ে ইতিমধ্যেই এখনও পর্যন্ত অন্তত অনেকের জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ১০৮ জন ভারতীয়-সহ বহু মানুষ নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, মোট ৩৮৪ জন পর্যটকের কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের মধ্যে ভারত, আমেরিকা, ব্রিটেন ও মালয়েশিয়ার নাগরিকরাও রয়েছেন। বিশেষ করে কৈলাসে তীর্থযাত্রায় যাওয়া ভারতীয়দের মধ্যে অনেকেই নিখোঁজ বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Planet Labs को स्याटेलाइट तस्बिरको विश्लेषणका आधारमा गरिएको प्रारम्भिक अध्ययनबाट नेपाल-चीन रसुवागढी नाकाबाट करिब २० किलोमिटर उत्तरपूर्व नेपाल-चीन सिमानामा गएको हिम-चट्टान पहिरोका कारण ल्हेन्दे खोलामा गेग्य्रानसहितको बाढी आएको देखिएको छ। pic.twitter.com/kCAo9O1Zb0
— NDRRMA (@NDRRMA_Nepal) August 26, 2026
এদিকে নেপালের (Napal) প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে নেপালকে সবরকম মানবিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। গত বছরও একই অঞ্চলে হিমবাহ হ্রদ উপচে ভয়াবহ হড়পা বান হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এ ধরনের চরম আবহাওয়াজনিত বিপর্যয়ের ঝুঁকি আরও বাড়ছে।







