Thursday, May 14, 2026
HomeScrollশুভেন্দুর শপথমঞ্চে শিলিগুড়ির মাখন লালকে প্রণাম মোদির
Makhanlal Sarkar

শুভেন্দুর শপথমঞ্চে শিলিগুড়ির মাখন লালকে প্রণাম মোদির

শুভেন্দুর শপথমঞ্চে শ্যামাপ্রাসাদের ছায়াসঙ্গী

কলকাতা: বাংলায় ফুটেছে পদ্মফুল। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ সেই স্বপ্ন সফল হয়েছে প্রধানমন্ত্রী সহ বিজেপি নেতানেতৃত্বের। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী (CM Shuvendu Ahdikari)। বিপুল উচ্ছ্বাস কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। আজ এক বিশেষ দিন, কারণ আজ পঁচিশে বৈশাখ। সেই আজ আরও এক বিশেষ দিন হিসেবে বাংলা মনে রাখবে। আজ বিজেপি সরকারের শুরু বাংলায়।অনুষ্ঠানে এক ৯৭ বছর বয়সী বৃদ্ধের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এই বিরল দৃশ্য দেখে আপ্লুত জনতা। জানা গেছে, এই বৃদ্ধ জনসঙ্ঘ ও বিজেপির আদি যুগের লড়াকু সৈনিক, শিলিগুড়ির বাসিন্দা মাখন লাল সরকার (Makhanlal Sarkar)।

আজ ব্রিগেডের মঞ্চে তখন সাজ সাজ রব। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে প্রবেশ করলেন এক অশীতিপর বৃদ্ধ। তাঁকে দেখামাত্রই এগিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। পরম শ্রদ্ধায় জড়িয়ে ধরলেন তাঁকে, নিচু হয়ে স্পর্শ করলেন পা। প্রধানমন্ত্রী আজ তাঁর পা ছুঁয়ে কেবল এক বৃদ্ধকে সম্মান জানাননি, বরং বাংলার মাটিতে বিজেপির যে আদি লড়াইয়ের ইতিহাস—তাকেই কুর্নিশ জানিয়েছেন।শিলিগুড়ির মাখন লাল সরকার নামের এই বৃদ্ধের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে জনসঙ্ঘ এবং আজকের ভারতীয় জনতা পার্টির দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস।

আরও পড়ুন: ছেলের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ দেখতে ব্রিগেডে বাবা শিশির অধিকারী, রয়েছে গোটা পরিবার

এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্চে দেখা যায় প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকারকে। মঞ্চেই তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা, কে এই মাখনলাল সরকার?৯৮ বছর বয়সী এই প্রবীণ বিজেপি নেতার বাড়ি শিলিগুড়িতে। তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনেরও অন্যতম মুখ। ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠিত হওয়ার পর তিনি পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক সমন্বয়কারী হন। মাত্র এক বছরের মধ্যে তিনি প্রায় ১০,০০০ সদস্য বিজেপিতে যুক্ত করতে সাহায্য করেন।১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীম ভট্টাচার্য জানান, কংগ্রেস শাসনকালে একবার দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার অপরাধে দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে। তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তা করেননি। পরে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। পরে মাখনলাল সরকার সেই গানটি শোনান বিচারককে। তা শুনে তাঁকে মুক্তি দেন বিচারক। তাঁর সাহসিকতা দেখে মুগ্ধ হয়ে বিচারক পুলিশকে নির্দেশ দেন তাঁকে প্রথম শ্রেণির ট্রেনের টিকিট এবং যাত্রাপথের খরচ বাবদ ১০০ টাকা দিয়ে সসম্মানে বাড়ি পাঠাতে।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor https://todayinnewsfocus.com/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto