ওয়েব ডেস্ক : উৎসবের মরশুমের আগে বাড়তে থাকা চিনির দাম (Sugar Price) নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে বাজারে চিনির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে মিষ্টি ব্যবসায়ী এবং খাদ্যপ্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির উপর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার চিনির মজুত ও বাজারজাতকরণের উপর বাড়তি নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য।
কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের তরফে রাজ্যকে বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় আধিকারিকরাও রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে বাজার পরিদর্শন ও মজুত যাচাই করতে পারবেন। বেআইনি মজুতদারি বা কালোবাজারির কোনও ঘটনা যাতে উৎসবের বাজারে প্রভাব ফেলতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ।
আরও খবর : ফুটপাথে দুধ গরমের ঘটনায় মমতার মানবিক বার্তা, অসহায় পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মমতা
বিশেষ নজরে থাকবে বেশি পরিমাণে চিনি(Sugar) ব্যবহার করে এমন ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠান। কনফেকশনারি, সফট ড্রিঙ্কস প্রস্তুতকারক, বড় মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থাগুলিকে নির্দিষ্ট সীমার বাইরে চিনি মজুত না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটানা ১৫ দিনের বেশি অথবা ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি মজুত রাখা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে কড়া আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছে কেন্দ্র। নিয়ম ভাঙলে ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ডের পাশাপাশি আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। রাজ্যের আধিকারিকদের নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মজুতের হিসাব ও স্টক যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামনেই দুর্গাপুজো-সহ একাধিক উৎসব। বাংলার উৎসবের বাজারে মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় চিনির জোগান ও দামের উপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কৃত্রিম সংকট তৈরি, অতিরিক্ত মজুত এবং কালোবাজারি রুখতেই কেন্দ্র-রাজ্যের এই যৌথ নজরদারি বলে মনে করা হচ্ছে।







