নয়াদিল্লি: সংসদ অভিযানের ঠিক আগে আন্দোলন ঘিরে নতুন মোড়। দীর্ঘ প্রতিবাদ ও সোনম ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) ২২ দিনের অনশনের পর কেন্দ্রের তরফে প্রথম বার যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করল ককরোচ পার্টি (CJP)। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
সোমবার সংসদ অভিযানের আগে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে CJP-র মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার যোগাযোগ করেছে। তাঁর দাবি, আলোচনার ব্যাপারে দল ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে এবং সরকারের বক্তব্য শোনার জন্যও তারা প্রস্তুত। তবে সরকার পক্ষের কোনও মন্ত্রী বা আধিকারিক আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: অতিভারী বৃষ্টিতে নাগাল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, মৃত শিশু-সহ অন্তত ৮
এ দিকে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে CJP। যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। একাধিক আন্দোলনকারী নেতাকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অনশন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়ে তিনটি শর্ত সামনে রেখেছেন সোনম ওয়াংচুক। তাঁর খোলা চিঠিতে জানানো হয়েছে, সরকার শিক্ষাব্যবস্থার সাম্প্রতিক ব্যর্থতার দায় স্বীকার করলে, অথবা তিনি ও CJP নেতৃত্বকে সংসদে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ দিলে, কিংবা শারীরিক কারণে সংসদে যেতে না পারলে সাংসদরা হাসপাতালে এসে তাঁর সঙ্গে দেখা করে আলোচনার আশ্বাস দিলে তিনি অনশন ভাঙতে পারেন।
উল্লেখ্য, শনিবার যন্তর মন্তর থেকে সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরিবার সূত্রের দাবি, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও তিনি অনশন ভাঙেননি। তবে সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর দিন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।






