Thursday, May 14, 2026
HomeScrollপ্রাগৈতিহাসিক সময়ে আগুনের সমুদ্র ছিল চাঁদে? IIT-র গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
Magma Ocean On Moon

প্রাগৈতিহাসিক সময়ে আগুনের সমুদ্র ছিল চাঁদে? IIT-র গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

IIT খড়গপুরের বিজ্ঞানীদের এই গবেষণায় সুবিধা মিলবে ‘চন্দ্রযান-৪’ মিশনে! কেন? দেখে নিন

ওয়েব ডেস্ক: ইতিহাসের সময় পৃথিবী কেমন ছিল- তার একটা সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছে বিজ্ঞান। কিন্তু সেই সময়ের চাঁদ (Moon) কি বর্তমানের থেকে আলাদা ছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ভারত, আমেরিকা, রাশিয়া, চীন সহ একাধিক দেশ চাঁদের বুকে অভিযান চালাচ্ছে দীর্ঘ কয়েকদশক ধরে। এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এলেও চন্দ্রপৃষ্ঠের ইতিহাস এখনও অনেকাংশেই অজানা। তবে এবার আইআইটি-র গবেষণায় উঠে এল এমন এক তথ্য, যা প্রাগৈতিহাসিক সময়ের চাঁদ সম্পর্জে আরও সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পারে।

সম্প্রতি, আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur) এবং ফিজিল্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির যৌথ গবেষণায় চাঁদের গভীর অভ্যন্তর নিয়ে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য, যা ভবিষ্যতের চন্দ্রযান-৪ (Chandrayaan-4) মিশনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। আসলে একটি ইলমেনাইট-সমৃদ্ধ কিউমুলেট শিলাকে নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। সেটিকে পরীক্ষা করেই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৪.৩ থেকে ৪.৪ বিলিয়ন বছর আগে চাঁদের উপর একটি বিশাল গলিত শিলার সমুদ্র বা ‘ম্যাগমা ওশান’ ছিল। সেই সময় চন্দ্রপৃষ্ঠ ধীরে ধীরে ঠান্ডা হওয়ার ফলে ভারী খনিজ স্তরগুলি চাঁদের মাটিতে তলিয়ে যায় এবং সেখানেই বিলীন হয়ে যায় চাঁদের প্রাচীন ইতিহাস।

আরও পড়ুন: সৌরজগতে জন্ম নিল ১৫টি নতুন চাঁদ! কোন গ্রহের চারপাশে ঘুরছে সেগুলি? দেখুন

গবেষকরা পরীক্ষাগারে চাঁদের অভ্যন্তরের চরম পরিস্থিতি তৈরি করেন, যাতে তিন গিগাপাসকেল পর্যন্ত চাপ এবং ১৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় শিলাগুলিকে পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, ভিন্ন তাপমাত্রায় ভিন্ন ধরনের ম্যাগমা তৈরি হয় এবং বেশি তাপমাত্রায় মাঝারি টাইটানিয়ামযুক্ত ব্যাসল্ট তৈরি হতে পারে। তবে কম তাপমাত্রায় অত্যন্ত টাইটানিয়াম-সমৃদ্ধ ম্যাগমা তৈরি হয়ে পরে অন্যান্য ম্যাগমার সঙ্গে মিশে যায়। গবেষণায় আরও জানা গিয়েছে যে, কম চাপের ক্ষেত্রে ম্যাগমা উপরের দিকে উঠে আগ্নেয়গিরির মতো কার্যকলাপ ঘটাতে পারে এবং বেশি চাপের ক্ষেত্রে কিছু ম্যাগমা আবার নিচে নেমে যায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই পরীক্ষা জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? গবেষকদের মতে, এর ফলে চাঁদের অন্দরে কোথায় টাইটানিয়াম-সমৃদ্ধ শিলা পাওয়া যেতে পারে তা চিহ্নিত করা সহজ হবে এবং চাঁদ থেকে আনা নমুনার উৎস ও গঠন বুঝতে সুবিধা হবে। কাজেই এতে চন্দ্রযানের সঠিক ল্যান্ডিং সাইট বাছাইয়ের কাজ আরও সহজ হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চন্দ্রযান-৪ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে একটি পার্বত্য অঞ্চলে অবতরণ করতে পারে। ইসরো-র (ISRO) বিজ্ঞানীরা এই অঞ্চলকে নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছেন।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor https://todayinnewsfocus.com/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto