ওয়েব ডেস্ক : লাদাখ (Ladakh) ভ্রমণের পরিকল্পনায় এবার আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। এতদিন লাদাখ পৌঁছনোর প্রধান ভরসা ছিল লেহ (Leh) বিমানবন্দর অথবা দীর্ঘ পাহাড়ি সড়কপথ। তবে এবার থোইস ও কার্গিল বিমানবন্দরেও বেসামরিক বিমান পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিষেবা শুরু হলে নুব্রা উপত্যকা, কার্গিল এবং আশপাশের এলাকায় পর্যটকদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হয়ে উঠতে পারে।
লাদাখের উপরাজ্যপাল বিনয় কুমার সাক্সেনা সম্প্রতি দিল্লির লাদাখ (Ladakh) ভবনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক, বায়ুসেনা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে থোইস ও কার্গিল বিমানবন্দরকে সাধারণ যাত্রী পরিষেবার জন্য কীভাবে প্রস্তুত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে দুটি বিমানবন্দরই মূলত সামরিক ও চার্টার পরিষেবায় ব্যবহৃত হয়।
থোইস বিমানবন্দরকে ঘিরে প্রস্তুতি অনেকটাই এগিয়েছে। নুব্রায় নতুন অসামরিক টার্মিনালের জন্য বায়ুসেনার তরফে পাঁচ একর জমি অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিমানবন্দরের রানওয়ে নতুন করে সংস্কারের কাজ চলছে, যা ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। নতুন টার্মিনাল তৈরি হওয়ার আগেই পুরনো চার্টার টার্মিনাল সংস্কার করে পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিসেম্বর থেকেই নুব্রা উপত্যকায় সাধারণ যাত্রীদের বিমান পরিষেবা শুরু হতে পারে।
আরও খবর : তেলেঙ্গানায় ট্রাকের পিছনে বাসের ধাক্কা, মৃত ৬ যাত্রী
অন্যদিকে কার্গিল বিমানবন্দরের ক্ষেত্রেও শুরু হচ্ছে পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর বায়ুসেনা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের যৌথ প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরটি পরিদর্শন করবে। নিয়মিত যাত্রীবাহী বিমান চালানোর জন্য কী কী পরিকাঠামো প্রয়োজন, সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে লাদাখের পূর্ত দফতর সংস্কারের কাজ করবে।
বিমান পরিষেবা চালু হলে পর্যটনেও বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। লেহ (Leh) থেকে নুব্রা উপত্যকায় পৌঁছতে বর্তমানে দীর্ঘ সড়কপথ পাড়ি দিতে হয় এবং খারদুং লা-র মতো উচ্চ পার্বত্য পথ পেরোতে হয়। একইভাবে কার্গিল ও দ্রাসেও যাতায়াত তুলনামূলক কঠিন। থোইস ও কার্গিলে বেসামরিক উড়ান চালু হলে সময় কমার পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে লাদাখের অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত এলাকাগুলিও আরও সহজে পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি হবে।







