ওয়েব ডেস্ক: কোলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠক (Administrative Meeting Kolaghat) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই বৈঠকে উপস্থিত তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়করা। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলাকে নিয়ে এই প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এই বৈঠকে ডাক পেয়েছেন এই তিন জেলার বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদরাও। উপস্থিত হয়েছেন কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা (Seuli Saha), মেদিনীপুরের তৃণমূল সাংসদ জুন মালিয়া (June Malia)। তাঁরা তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন।ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী তথা দেব(Dev)। তাঁরা তিনজনেই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন।
শুভেন্দুর হাত ধরেই বিজেপিতে বিদ্রোহী সাংসদরা? তাঁদের বক্তব্য কী? বেশিরভাগের ফোন ‘সুইচড অফ’। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় ইস্তফা দিয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে সোমবার দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবরে বাড়ির বৈঠকে হাজির ছিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব।২৪ ঘণ্টা পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ দেব-কে।আগেই উপস্থিত হয়েছিলেন সাংসদ জুন মালিয়া ও বিধায়ক শিউলি সাহা। পরে অভিনেতা-সাংসদ দেবকে প্রবেশ করতে দেখা যায়।সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, জনমুখী পরিষেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন। তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রশাসনিক কার্যক্রমের নিরিখে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রশাসনিক মহলের একাংশ। তিন জেলার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এই বৈঠক থেকে উঠে আসতে পারে বলেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী-য়ের বিরুদ্ধে FIR, কী কী অভিযোগ?







