Thursday, May 14, 2026
HomeScrollনাজিরাবাদ কাণ্ডে প্রশাসনের দরজায় মৌসুমী, স্বামী হারিয়ে শিশুসন্তানকে নিয়ে চাকরির লড়াই
Nazirabad Incident

নাজিরাবাদ কাণ্ডে প্রশাসনের দরজায় মৌসুমী, স্বামী হারিয়ে শিশুসন্তানকে নিয়ে চাকরির লড়াই

ওয়াও মোমো কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটে গেলেও এখনও কোনও সাহায্য মেলেনি

নরেন্দ্রপুর: নাজিরাবাদের (Nazirabad) আগুনে স্বামী হারিয়ে থানায় থানায় ঘুরছেন মৌসুমী (Moushumi),  ডিএনএ রিপোর্ট আর চাকরির আশায় অসহায় লড়াই এক মায়ের। অগ্নিকাণ্ডে স্বামী পঙ্কজ হালদারের (Pankaj Halder)  মৃত্যু,  তিন বছরের শিশুকে বাঁচাতে প্রশাসনের দরজায় দরজায় স্ত্রী মৌসুমী হালদার ডিএনএ ম্যাপিং থেকে সিভিক ভলান্টিয়ার চাকরি, সবই প্রতিশ্রুতি,  বাস্তবে নেই কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা।

নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্বামী পঙ্কজ হালদারকে হারিয়ে আজ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন মৌসুমী হালদার ((Moushumi Halder) । স্বামীর দেহাংশ শনাক্ত করে দ্রুত ডিএনএ ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে একাধিকবার থানায় ছুটে গিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিন বছরের কন্যাসন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সরকারি প্রতিশ্রুত সিভিক ভলান্টিয়ার চাকরির আশায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন প্রতিদিন।

নাজিরাবাদের ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয় পঙ্কজ হালদারের। ঘটনার পর থেকেই ভেঙে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী মৌসুমী। অভিযোগ, স্বামীর দেহাংশ শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ ম্যাপিং দ্রুত করার কথা বলা হলেও পুলিশি উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। সেই আশায় বারবার থানায় আসছেন মৌসুমী, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা বা আশ্বাস পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন-  আনন্দপুর দুর্ঘটনায় ‘দুর্নীতি তত্ত্ব’ দিলেন শাহ

এদিকে আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ার পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনের তরফে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে নরেন্দ্রপুর থানার (Narendrapur  Thana)  পক্ষ থেকে মৌসুমী হালদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানায় আসতে বলা হয়। নির্দেশ মতোই শুক্রবার রাতেই থানায় হাজির হন মৌসুমী। তবে কিছু নথিপত্রে গোলমাল থাকায় শনিবার সকালে আবার থানায় আসতে বলা হয় তাঁকে।

শনিবার ফের নরেন্দ্রপুর থানায় এসে সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেন মৌসুমী। তাঁর বক্তব্য, “আমার মেয়ের বয়স মাত্র তিন বছর। ওর পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ, সবকিছুর জন্য এখন একটা চাকরি খুব দরকার। সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু কবে মিলবে জানি না।”

চাকরির আশায় শুধু থানাই নয়, একাধিকবার ওয়াও মোমো কর্তৃপক্ষের কাছেও গিয়েছেন মৌসুমী। কিন্তু সেখান থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও বাস্তব সাহায্য মেলেনি বলে জানান তিনি। একদিকে স্বামীর দেহাংশ ফেরত পাওয়ার অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে শিশুকন্যাকে মানুষ করার লড়াই, সব মিলিয়ে আজ প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন নাজিরাবাদের এই অসহায় নারী।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto