ওয়েব ডেস্ক : চিনির (Sugar) লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে চরম সঙ্কটে পড়েছেন নদিয়ার (Nadia) বাতাশা, নকুলদানা ও মিছরি ব্যবসায়ীরা। কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ সামলানো কঠিন হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন না হলে অনেক ছোট ব্যবসায়ীকে ব্যবসা বন্ধ করার কথাও ভাবতে হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রায় ৪০ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী শুভাশিস পাল জানান, বর্তমানে চিনির দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৬৭ টাকায় পৌঁছেছে। অথচ সেই চিনি দিয়ে তৈরি বাতাশা পাইকারি বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৭৫ টাকা কেজি দরে। ফলে উৎপাদন খরচ বাদ দিলে কেজিপ্রতি সামান্য লাভ থাকছে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে ক্ষতির মুখেও পড়তে হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।
আরও খবর : বেহাল প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার রাস্তা, খানাখন্দে চরম দুর্ভোগ হাসনাবাদে
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, শুধু চিনির দাম (Sugar Price) নয়, বাতাশা ও মিছরি তৈরির অন্যান্য কাঁচামাল এবং উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সামগ্রীর দামও বেড়েছে। শুভাশিস পালের দাবি, চিনির দাম কেজিপ্রতি প্রায় ২৫ টাকা বাড়লেও সেই অনুপাতে পণ্যের দাম বাড়ানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে পাইকারি বাজারে বাতাশা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭৫ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে এক নম্বর মিছরির দাম প্রায় ৮০ টাকা কেজি। খুচরো বাজারে তা ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
সামনেই বিশ্বকর্মা পুজো এবং দুর্গাপুজোর মতো বড় উৎসব। এই সময় বাতাশা, নকুলদানা ও মিছরির চাহিদা সাধারণত বাড়ে। কিন্তু উৎসবের আগে কাঁচামালের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। বাড়তি খরচ সামলে কীভাবে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা যাবে, তা নিয়েই এখন উদ্বেগে নদিয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।







