Monday, June 1, 2026
HomeScroll‘ভিঝিনজাম’ দেশের প্রথম গভীর জলের কন্টেইনার আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর

‘ভিঝিনজাম’ দেশের প্রথম গভীর জলের কন্টেইনার আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর

ওয়েবডেস্ক: ভিঝিনজাম বন্দর (Vizhinjam) । শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm Narendra Modi) কেরলের তিরুবনন্তপুরমে ভিঝিনজাম আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বন্দর (International Transshipment Port) উদ্বোধন করেছেন। এই বন্দর নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৮,৮৬৭ কোটি টাকা। ভিঝিনজাম ভারতের প্রথম গভীর জলের কন্টেইনার ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর প্রতিষ্ঠার সূচনা করল। এই বন্দরটি পূর্ব পশ্চিম আন্তর্জাতিক শিপিং লেন থেকে মাত্র ১০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছে।

ভিঝিনজাম বন্দর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট হল, কোনও পথ ছাড়াই জাহাজগুলিকে নোঙ্গর করতে দেয়। এটি ভারতকে সরাসরি প্রধান বৈশ্বিক বাণিজ্য রুটের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এটি একটি বিশিষ্ট ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র। ভিঝিনজামের ব্রেকওয়াটার হল ভারতের সবচেয়ে গভীরতম, প্রায় তিন কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। ২৮ মিটার উঁচু, প্রায় একটি নয় তলা ভবনের উচ্চতার সমান।

কেরল সরকারে সঙ্গে একটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলের অধীনে আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড (APSEZ) দ্বারা নির্মিত এই  ভিঝিনজাম আন্তর্জাতিক বন্দর। এই বন্দরটি ট্রান্সশিপমেন্ট ডিপওয়াটার মাল্টিপারপাস সমুদ্রবন্দরটি ভারতের ইতিহাসে একটি মাইলফলক তৈরি করবে। ভিঝিনজামকে একটি মাল্টি-মডেল হাব হিসেবেও গড়ে তোলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রত্যাঘাত আসন্ন! মাল্টি-ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইনের সফল পরীক্ষা চালাল DRDO ও  Indian Navy

আধুনিক প্রযুক্তিতে সেজে উঠেছে এই বন্দর। এটি উন্নত আধা-স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে সজ্জিত। বন্দরটির লক্ষ্য হল বেশিরভাগ পণ্য পুনরুদ্ধার করা যা বিদেশি  বন্দরের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণ আদানি জানিয়েছেন, কেরলের ভিঝিনজাম বন্দর খুব উন্নতমানের আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। দেশের প্রবৃদ্ধিকে বৃদ্ধি করবে।

বর্তমানে, ভারতের প্রায় ৭৫ শতাংশ ট্রান্সশিপমেন্ট কার্গো কলম্বো, সিঙ্গাপুর এবং দুবাইয়ের মতো বিদেশি বন্দরের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। ভিঝিনজাম বন্দরের লক্ষ্য হল অভ্যন্তরীণভাবে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের সুযোগ করে দেবে, যা বিদেশি বন্দরের উপর নির্ভরতা কমাবে।

এই বন্দরটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) এর সঙ্গে একত্রে ল্যান্ডলর্ড মডেলের অধীনে নির্মিত হয়েছে। এটি বিদেশি বন্দরগুলিতে ছোট জাহাজে পণ্য পরিবহনের প্রয়োজনীয়তা কমাবে, খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

এই বন্দরটি পূর্ব এশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং আফ্রিকার মতো প্রধান বাজারগুলিতে নির্দেশিত পণ্য পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সশিপমেন্ট হাব এমন একটি স্থান বা বন্দর যেখানে পণ্য বা কন্টেইনার এক পরিবহন মাধ্যম থেকে অন্য পরিবহন মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়, চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছনোর আগে। এই বন্দরের লক্ষ্য হল খরচ কমানো, দক্ষতা বৃদ্ধি করা, রফতানি বৃদ্ধি করা, অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করা এবং বিশ্ব বাজারে ভারতের ভূমিকা জোরদার করা।

বন্দর নির্মাণে প্রায় সকলের পর্যায়ের নির্মাণের কাজ ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। ২০৩৪ সাল থেকে চারটি পর্যায় কার্যকর আদানি ভিঝিনজাম বন্দর সরকারকে রাজস্বের একটি অংশ প্রদান করবে।

ভারতের প্রায় ৭৫ শতাংশ ট্রান্সশিপমেন্ট কন্টেইনার শ্রীলঙ্কার বন্দর দিয়ে পরিচালিত হত। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা ও রাজস্বের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হত। কিন্তু ভিঝিনজাম ভারতের সেই অবস্থায় অনেকখানি সুরাহা দেবে।

দেখুন অন্য খবর:

 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO