ওয়েব ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। তারেক রহমান (Tarique Rahman) প্রধানমন্ত্রী হতেই বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে রদবদল (Massive Change in Bangladesh Army) ঘটল। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে নতুন করে সাজিয়েছেন তারেক রহমান। সেনাপ্রধান পদে বহাল হাসিনা আমলের ওয়াকার-উজ-জামানই।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে সেনাবাহিনীর রাশ শক্ত হাতে ধরলেন তারেক রহমান। কার্যত সামরিক বাহিনীর খোলনলচে বদলে দিলেন তিনি। দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাকে পদোন্নতি দিয়ে ঢাকায় ফেরানো হল। মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয়েছে মহম্মদ হাফিজুর রহমান নামে ওই আধিকারিককে। তবে এসবের মাঝে শেখ হাসিনা জমানায় নিযুক্ত এবং হাসিনার আত্মীয় সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকেই পদে বহাল রেখেছেন তারেক। বাংলাদেশ সেনার নতুন চিফ অফ জেনারেল স্টাফ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর রহমানকে। তিনি এতদিন আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে ছিলেন। আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসএম কামরুল হাসানকে বিদেশ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। কোনও দেশের রাষ্ট্রদূত করা হতে পারে তাঁকে।
আরও পড়ুন:ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশের সেনার নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার করা হয়েছে মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে। তিনি পদাতিক বাহিনীর ২৪ তম ডিভিশনে ছিলেন। মেজর জেনারেল জেএম ইমদাদুল ইসলাম পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনে ছিলেন। তাঁকে পাঠানো হয়েছে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে। সেনার এই রদবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত কম্যান্ড থেকে গোয়েন্দা সংস্থা-সবেতেই প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
কয়েকমাস পর বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের জেরে হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। সেসময় অবশ্য সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান কিছুটা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। শোনা যায়, জনতার চাপের মুখে হাসিনাকে পদত্যাগে বাধ্য করেছিলেন তিনিই। এছাড়া গণবিক্ষোভ দমনে গুলি চালনা নিয়েও হাসিনার উপর চাপ তৈরি করেছিলেন। আত্মীয় তথা দেশের সেনাপ্রধানের কথা মেনে এরপরই শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে সে বছরের আগস্টে সোজা দিল্লিতে চলে আসেন। বাংলাদেশে পট পরিবর্তন হয়।বাংলাদেশে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। তারপরও অবশ্য পদে বহাল রইলেন হাসিনা আমলে নিযুক্ত সেনাপ্রধানই।







