ওয়েবডেস্ক- জ্বালানি সঙ্কটে (Energy Crisis) হাহাকার গোটা বিশ্বজুড়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump) হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) নিয়ে ইরানকে হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পাল্টা তোপ দেগেছে তেহরান (Tehran) । ২২ মার্চ ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’- এ ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। তিনি জানান, এই সময়ের মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তাহলে আমেরিকা ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি সবচেয়ে বড়টি থেকে শুরু করে ধবংস বা নিশিহ্ন করে দেবে।
ইরানের ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC) জানিয়েছে, মার্কিন হামলা হলে তারা হুরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণরূপে বন্ধ” করে দেবে এবং ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পুনরায় নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত তা খোলা হবে না। তেহরান সতর্ক করেছে যে তাদের ওপর আক্রমণ হলে তারা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে যুক্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জল শোধন কেন্দ্র এবং আইটি সিস্টেম লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে পশ্চিম এশিয়া থেকে এক লিটার তেলও বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শেয়ার বাজারে বড়সড় ধস নেমেছে। ইরান যদি উপসাগরীয় অঞ্চলে পানীয় জল শোধনাগারগুলিতে তা হলে বিশাল বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
আরও পড়ুন- ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, বাজারে তাণ্ডব! ১৫০০ পয়েন্ট ধস সেনসেক্সে
পানীয় জলের হাহাকার পড়ে যেতে পারে। আমেরিকা ও ইজরায়েল যদি তাদের শক্তিকেন্দ্রগুলিতে হামলা চালানো বন্ধ না করে, তা হলে আগামী দিনে আরও ভয়ঙ্কর পরিণতির মুখে পড়তে হবে তাদের। মূল্য চোকাতে হবে উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা-ঘনিষ্ঠ দেশগুলিকেও। উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে আমেরিকা পরিচালিত বহু তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, তৈল শোধনাগার এবং পানীয় জল পরিশোধন সংস্থাও রয়েছে। সেগুলিকেও নিশানা করে হুমকি দিয়েছে ইরান। হজরত খাতম আল আনবিয়া-র সদর দফতরের মুখপাত্র বলেছেন, আমেরিকা যদি ইরানের শক্তি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে হামলা চালায়, তারা চুপ করে বসে থাকবে না। পশ্চিম এশিয়ায় ওদের যত তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র, শক্তিকেন্দ্র, পানীয় জল শোধনকেন্দ্র আছে সেগুলিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।







