ওয়েবডেস্ক- এই বছর নির্বাচনে (2026 Assembly Election) সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল এসআইআর। যা শুরু থেকেই জটিলতার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছে। সেই কারণে এই বছর রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শেষে ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পর অনেকেই চাইছেন ভোটটা দিতে।
কারণ সকলের ভয়, এবার ভোটটা না তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে! এই আশঙ্কায় রাজ্যের বাইরে পাড়ি দেওয়া ভিন রাজ্যের শ্রমিকরা দলে দলে বাড়ি ফিরছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant workers) আশঙ্কা এবার ভোট না দিলে যদি নাম কাটা যায়! ফলে ট্রেনে ভিড় বাড়ছে। ট্রেনের টিকিট না পেয়ে না পেয়ে বাসে করে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান নিয়েছে কেরলের শ্রমিকরা। তিরুঅনন্তপুরম থেকে বাংলাগামী কোনও ট্রেনে আর টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব শ্রমিক আগে টিকিট কেটেছিলেন, তারা শুধুমাত্র ট্রেনে চেপে আসতে পারছেন।
এই রুটে ছয়টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে শালিমার সুপার এক্সপ্রেস (বৃহস্পতিবার ও শনিবার), ডিব্রুগড় বিবেক এক্সপ্রেস (প্রতিদিন), টিভিসি এসসিএল এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার), গুরুদেব সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (রবিবার), সিবিই এসসিএল সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (রবিবার) এবং অরোনাই এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার)। টিকিট না পেয়ে অনেকেই প্রথম ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন- ১০টাকা নিয়ে এসেছে পকেটে করে, রাজনীতি করবে বলে, মোদিকে তোপ মমতার
কিন্তু এই ভোটের গুরুত্ব বুঝে বেসরকারি বাসের উপরেই ভরসা রেখেছে তারা। ইতিমধ্যেই এর্নাকুলাম জেলার পেরুম্বাভুর, কোথামঙ্গলম এবং মুভাট্টুপুঝা এলাকা থেকে কয়েকটি বাস বাংলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।
শ্রমিকরা ভোট দিয়ে ফের ওই বাসে করেই ফিরে যাবে। এই বাসযাত্রার জন্য প্রত্যেক শ্রমিককে গুণতে হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। জানা গিয়েছে, নন-এসি বাসে ভাড়া ৪ হাজার টাকা, এসি বাসে ৫ হাজার টাকা এবং স্লিপার বাসে ৬ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক বাসে দুই জন করে চালক রয়েছেন। জানা গেছে এবার শুধু ভোটের জন্য শ্রমিকদের অনুরোধে ১০০-র বেশি বাস চালানো হয়েছে। তবে এই পরিষেবা চালাতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বাস মালিকদের। তবে এই পরিষেবা চালাতে গিয়ে সমস্যার মুখেও পড়তে হচ্ছে বাস মালিকদের। অভিযোগ, বাংলা-ওড়িশা সীমান্তে প্রতি ট্রিপে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। সেই কারণে তাঁদের লাভ কম হচ্ছে।







