ওয়েব ডেস্ক: কেরলের (Kerala) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের (ED Raid Pinarayi Vijayan House Kerala) বাড়িতে ইডি অভিযানের প্রতিবাদে অফিসারদের গাড়ি ভাঙচুর সিপিএম কর্মীদের। ছোড়া হল থান ইট৷ ভাঙল গাড়ির কাচ৷ কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড (সিএমআরএল) মামলার সূত্রে কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে ইডি অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল গোটা এলাকা৷ দিল্লিতে ED-র সদর দফতরের বাইরে সিপিএম-এর কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান। এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। বিক্ষোভ চলাকালীন দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে।প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত, পলিট ব্যুরো সদস্য অশোক ধাওয়ালে, মরিয়ম ধাওয়ালে ও বিজু কৃষ্ণন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিক্রম সিংহ এবং দিল্লির রাজ্য সম্পাদক অনুরাগ সাক্সেনাকে ছাড়াও শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
বুধবার সিএমআরএল মামলার সূত্রে পিনারাই বিজয়নের বাড়ি সহ কেরল জুড়ে ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি৷ কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড (সিএমআরএল) মামলার সূত্রে কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে ইডি অভিযান চালায়।সূত্রের খবর, বুধবার কেরলের মোট ১২ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। এই তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাড়া বাড়ির পাশাপাশি রয়েছে কেরলের প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রী মহম্মদ রিয়াজের কোঝিকোড়ের বাড়িও।পিনারাই বিজয়নের মেয়ে টি বীণার বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড (সিএমআরএল) নামে একটি বেসরকারি সংস্থা ওই বছর বিজয়ন কন্যার সংস্থা এক্সালজিক সলিউশনস-কে ১.৭২ কোটি টাকা বেআইনি ভাবে দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টা উড়ে ফের দিল্লিতেই নামল এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট! কেন?
এদিন শুরু থেকেই ইডির তল্লাশিতে বাধা দেয় সিপিএম। রাজ্যের প্রায় সব প্রান্তে পথে নেমে পড়েন বাম কর্মীরা। এমনকী বিজয়নের কান্নুরের বাড়ির সামনে ইডি আধিকারিকদের গাড়ির উপরও চড়াও হন বাম-কর্মী সমর্থকরা।
ভাঙচুর করা হয়েছে ইডি (ED) অফিসার এবং সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানদের কনভয়ে থাকা একটি গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন। ওই গাড়িতে মহিলা আধিকারিকরাও ছিলেন। হামলায় এক গাড়িচালক আহত হয়েছেন এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়।দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন খোদ দলের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। ওই বিক্ষোভ চলাকালীন দিল্লি পুলিশ তাঁকে আটক করে বলে খবর। তল্লাশি শেষে ঘর থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন পিনরাই বিজয়ন। ৮১ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান বাম নেতা বলেন, “এসব করে আমাকে বা সিপিএমকে দমানো বা ভয় দেখানো যাবে না। এটা তো মাত্র শুরু। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে বিজেপি সরকার বারবার কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে, এটাও তারই অংশ।”







