ওয়েব ডেস্ক : শনিবার সোনারপুরে (Sonarpur) অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee) উপর আক্রমণের ঘটনার নিন্দা করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এই ঘটনাটিকে ‘নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। পাশাপাশি বিজেপিকে (BJP) কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুল (Rahul Gandhi) লিখেছেন,”সোনারপুরে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। একজন সাংসদের উপর আক্রমণ শুধু একজন ব্যক্তির উপর হামলা নয়—এটি সেই জনগণের উপর আঘাত, যারা তাঁকে নির্বাচিত করেছেন, এবং আমাদের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের উপরও আঘাত।”
এর পরেই বিজেপিকে নিশানা করে কংগ্রেস (Congress) নেতা লিখেছেন, “এটাই বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতির কুৎসিত চেহারা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনও হিংসার ন্যায্যতা হতে পারে না। কেন্দ্র সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার উভয়েরই উচিত অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নিশ্চিত করা যে, কোনও জনপ্রতিনিধিকে, তিনি যে দলেরই হোন না কেন, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে না হয়।” এর পাশাপাশি অভিষেকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি।
सांसद अभिषेक बनर्जी जी पर सोनारपुर में हुआ हमला बेहद निंदनीय है।
एक सांसद पर हमला सिर्फ़ एक व्यक्ति पर हमला नहीं – यह उस जनता पर है जिसने उन्हें चुना, और उस लोकतंत्र पर है जो हम सबकी साझी विरासत है।
यह BJP की बदले की राजनीति का घिनौना रूप है। राजनीतिक मतभेद कभी हिंसा का कारण…
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) May 30, 2026
আরও খবর : সোনারপুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা কেজরিওয়ালের
উল্লেখ্য, শনিবার সোনারপুরে (Sonarpur) নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসে জনরোষের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। এমনকি ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। সোখানে চরম হেনস্থার শিকার হন তিনি। অভিষেককে সেখান থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় বের করে আনা হয়। সেখান থেকে সোজা বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ওই হাসপাতালে এসে জানিয়েছিলেন, এখানে অভিষেকের চিকিৎসা হবে না। তাঁকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। এর পরেই তাঁকে নিজের গাড়িতে বসিয়ে মিন্টো পার্কের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
তবে হাসাপাতলে তরফ থেকে জানানো হয়, অভিষেকের চোট তেমন গুরুতর নয়। তাই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন নেই। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওষুধ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই হাসপাতালের উপরেও চাপ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কুণাল ঘোষ। পুলিশ-প্রশাসন চাপ তৈরি করছে। বিজেপির নির্দেশেই এমনটা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
দেখুন অন্য খবর :







