ওয়েব ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় (West Bengal Assembly) বুধবার ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের দুই শিবিরের দ্বন্দ্ব। বিরোধী শিবিরের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান বক্তব্য শুরু করতেই আপত্তি জানান বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। মুহূর্তের মধ্যে অধিবেশন কক্ষে শুরু হয় তুমুল হইচই। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডাকার নির্দেশ দেন। পরে কুণাল ঘোষকে অধিবেশন থেকে সাসপেন্ডও করা হয়।
সূত্রের খবর, আখরুজ্জামানের (Akhruzzaman) বক্তব্যে বাধা দেওয়ার পর প্রতিবাদ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক পাশাপাশি বিজেপির মন্ত্রীরাও এর প্রতিবাদ করেন। দুই পক্ষের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়। কয়েকজন বিধায়ক আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান। গোলমাল বাড়তে থাকায় স্পিকার হস্তক্ষেপ করেন। মার্শালদের কুণাল ঘোষকে কক্ষের বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
আরও খবর : তৃণমূলের তহবিল মামলায় এবার ইডির তলব শুভাশিস চক্রবর্তীকে
এই ঘটনাকে ঘিরে ফের সামনে এসেছে কালীঘাট শিবিরের পুরনো অভিযোগ। তাঁদের দাবি, আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য পাঠানো তালিকায় কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) নাম থাকলেও পরে তা বাদ দেওয়া হচ্ছে। একই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ। যদিও আখরুজ্জামানের বক্তব্য, সীমিত সময়ের কারণে সব বিধায়ককে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। কে বলবেন, সেই সিদ্ধান্ত মুখ্য সচেতক হিসেবেই নেওয়া হয়।
ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কুণাল ঘোষের আচরণের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের অসভ্য আচরণ বিধানসভায় আগে দেখিনি। বিরোধী দলে থেকেছি, এখন সরকারে আছি। একজন প্রবীণ বিধায়কের সঙ্গে এভাবে আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়।







