ওয়েবডেস্ক- রাজ্য বিধানসভায় (Assembly Election) পঞ্চায়েত এমেন্ডমেন্ড বিল (Panchayat Amendment Bill) পেশ করলেন প্রদীপ মজুমদার (Pradip Majumder)। এই বিলের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিজেপি বিধায়ক বিশ্বনাথ কারক (BJP MLA Vishwanath Karak) এই বিলের সমালোচনা করেন। বিজেপির আর এক বিধায়ক অরুপ কুমার দাস, তিনি অভিযোগ করেন এই সরকার আসার পর গ্রাম সভা তুলে দিয়েছেন, শহরাঞ্চলে ওয়ার্ড কমিটি উঠিয়ে দিয়েছেন।
শাসক দলের বিধায়ক অপুর্ব সরকার, সমীর কুমার জানা এই বিলকে সমর্থন জানান। এই বিলে পঞ্চায়েতের অফিস বেয়ারেরদের আড়াই বছরের আগে সরানো যাবে না, এর পরিবর্তে সেই সময় কাল এই পরিবর্তনের সময় ৩ বছর করা হয়েছে।
আর কেন এই ৩ বছর করা হয়েছে তার সপক্ষে যুক্তি দেন প্রদীপ মজুমদার। ৩৩৩৯ গ্রাম পঞ্চায়েত, ৩৪৫টি পঞ্চায়েত সমিতি, ২১টা জেলা পরিষদ ১ টা মহকুমা পরিষদের ৭৪৪৯৮ জন প্রতিনিধিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রত্যেককে প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও ভালো কাজ করার পরিকাঠামো গড়ে তোলা। বিরোধীদের অভিযোগকে নস্যাৎ করেন পঞ্চায়েত দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ শাসক দল উপদলীয় কোন্দলকেকে আটকাতে এটা তাদের রাজনৈতিক চাল।
আরও পড়ুন- বিধানসভায় পাশ হল ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যাপ্রিশিয়েশন বিল, কী কী আছে বিলে? দেখুন এই ভিডিও
প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত আইন সংশোধন করল রাজ্য সরকার। শনিবার বিধানসভায় পাশ হওয়া এই বিলে বলা হয়েছে, কার্যভার গ্রহণ করার জন্য পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ত্রিস্তরের শীর্ষ পদাধিকারীর বিরুদ্ধে অনাস্থা বা অপসারণের প্রস্তাব যাবে না। গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে প্রধান ও উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সমিতিতে সভাপতি ও সহকারি সভাপতি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহকারি সভাধিপতির বিরুদ্ধে এমন অনাস্থা আনা যাবে না। সরকারে দাবি, পঞ্চায়েতগুলির স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ।







