ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) মাত্র এক সপ্তাহ পেরিয়েছে। এখনও গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচগুলিই শেষ হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সোনার বুটের (Golden Boot) লড়াই। কে হবেন ২০২৬ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে সমর্থকরা যেন দ্বিধায় পড়েছেন। কারণ, একদিকে লিওনেল মেসি (Lionel Messi), অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappé)। রয়েছেন হ্যারি কেন (Harry Kane) ও আর্লিং হালান্ডও (Erling Haaland)। প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্সেই চার তারকা বুঝিয়ে দিয়েছেন, এ বারের সোনার বুটের লড়াই হতে চলেছে সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতা।
গত কয়েকটি বিশ্বকাপে সোনার বুটের লড়াই সাধারণত এক বা দু’জন ফুটবলারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ২০১৮ সালে হ্যারি কেন ছয় গোল করে সোনার বুট জিতেছিলেন। ২০২২ সালে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের মধ্যে চলেছিল রুদ্ধশ্বাস প্রতিযোগিতা, যেখানে শেষ পর্যন্ত আট গোল করে বিজয়ী হন এমবাপে। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের চিত্র একেবারেই আলাদা। প্রথম ম্যাচের পরই চারজন তারকা নিজেদের দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। মেসি করেছেন হ্যাটট্রিক, এমবাপে, কেন ও হালান্ড করেছেন জোড়া গোল। ফলে শুরু থেকেই প্রতিযোগিতা পৌঁছে গিয়েছে অন্য মাত্রায়।
আরও পড়ুন: ২ মাস আগেই শুরু হবে IPL? সূচিতে বিরাট পরিবর্তন করবে BCCI? দেখুন মেগা আপডেট
পরিসংখ্যান বলছে, গত ছ’টি বিশ্বকাপে সোনার বুট জিততে গড়ে ৬.৩ গোল প্রয়োজন হয়েছে। কিন্তু এ বার প্রথম ম্যাচের পরই মেসির ঝুলিতে তিন গোল এবং এমবাপে, কেন ও হালান্ডের ঝুলিতে দুই গোল করে জমা হয়েছে। তাই অনেকেরই ধারণা, এ বার সোনার বুটের ফয়সালা হতে পারে দ্বি-অঙ্কের গোলসংখ্যায়। ১৯৭০ সালে জার্মান কিংবদন্তি জার্ড মুলার ১০ গোল করেছিলেন। দীর্ঘ ৫৬ বছর পর সেই রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছনোর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
একদিকে হ্যাটট্রিক করেই এগিয়ে গিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের পিছু ধাওয়া করেছেনএমবাপেও। এদিকে ইংল্যান্ডের ভরসা হ্যারি কেনও রয়েছেন গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে। তবে এই দৌড়ে ‘কালো ঘোড়া’ হতে পারেন নরওয়ের স্ট্রাইকার এরলিং হালান্ড। তবে সোনার বুটের আলোচনায় একমাত্র বড় অনুপস্থিত নাম ক্রিশিয়ানো রোনাল্ডো। আপাতত সোনার বুটের দৌড়ে তিনি অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন।
দেখুন আরও খবর:







