ওয়েব ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার (Venezuela) প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসকে ঘিরে ফের উত্তেজনা। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে (Nicolás Maduro) আমেরিকান সেনা তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার ৭২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার ভোরে রাজধানী কারাকাসে তীব্র গুলির শব্দে চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের আশপাশে আচমকা গুলির লড়াই শুরু হয় বলে দাবি একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের। যদিও ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে (Armed men seen on the streets of the Venezuelan capital Caracas)।
জানা গিয়েছে, গভীর রাতে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের উপরে একাধিক ড্রোন উড়তে দেখেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এর পরই প্যালেসের সামনের রাস্তায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই বেধে যায়। আচমকা গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ড্রোনগুলি কারা পাঠিয়েছিল বা এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা জানতে তল্লাশি ও তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: জাপানে ভূমিকম্প! শিমানে কেঁপে উঠল শক্তিশালী কম্পনে
Armed men seen on the streets of the Venezuelan capital Caracas. 🇻🇪
Gunfire has also erupted near to the Miraflores Presidential Palace as well as anti aircraft fire lighting up the sky.
— Oli London (@OliLondonTV) January 6, 2026
এই ঘটনার সঙ্গে ভেনেজুয়েলার চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। উল্লেখ্য, গত শনিবার ভোরে কারাকাসের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে আমেরিকান সেনা। পরে তাঁদের ব্রুকলিনের একটি ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার ম্যানহাটনের ফেডারাল আদালতে মাদুরোকে পেশ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাস, কোকেন পাচার-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেনেজ়ুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডেলসি রদ্রিগেজ। তিনি মাদুরোকে সমর্থনের কথা জানালেও আমেরিকার পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও কড়া প্রতিক্রিয়া দেননি। বরং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন। পলিটিকো-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন ডেলসি রদ্রিগেজ়ের সামনে একাধিক কঠোর শর্ত রেখেছে। সেই প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের কাছে গুলির লড়াই নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।







