বর্ধমান: ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগে এবার পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মেমারীতে (Memari) পৌঁছল তৃণমূলের (TMC) ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। সোমবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে আক্রান্ত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
জয়নগরের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল ও রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদাও। প্রথমে মেমারী থানার শেখপুর এলাকায় যান তাঁরা। সেখানে মেমারী ১ যুব তৃণমূল সভাপতি সাবির মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে হামলার অভিযোগ শোনেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। অভিযোগ, ভোটের ফল প্রকাশের পর তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন: সরাকরি বাসে মহিলাদের ‘ফ্রি’-তে যাতায়াত করতে পারবে মহিলারা, কবে থেকে দেখে নিন
এর পর প্রতিনিধি দল যায় উলরা গ্রামে। সেখানে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত সরস্বতী রায়ের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। তৃণমূলের অভিযোগ, ফল প্রকাশের পর গণেশ মলের বাড়িতেও হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন সাংসদরা।
উলরা গ্রামের যুব তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। অভিযোগ, কার্যালয়ে তালা মেরে বিজেপির পতাকা ও ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে দলীয় কার্যালয় ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলে তৃণমূল।
তৃণমূলের দাবি, ফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটছে। এর পিছনে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে শাসকদল।
যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। তাদের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। বরং তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। বিজেপির বক্তব্য, “তৃণমূলই তৃণমূলকে মারছে। সঠিক তথ্য দিয়ে অভিযোগ করা হলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।”







