ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার গ্রাম পঞ্চায়েতেও শুরু হল টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল (TMC) প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব (Motion of no confidence) জমা দিলেন ১৩ জন পঞ্চায়েত সদস্য। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, গত ২৫ মে নকশালবাড়ির বিডিওর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। ২১ সদস্য বিশিষ্ট বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১১টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল (TMC)। কংগ্রেস পায় ৭টি আসন, বিজেপি ২টি এবং আদিবাসী বিকাশ পরিষদ ১টি আসনে জয়ী হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধান হন তৃণমূলের সঞ্জীব সিনহা।
আরও খবর : সেনসাসের কাজে বাধা দিলেই হবে জেল-জরিমানা! জনগণনা নিয়ে বিরাট নির্দেশ সরকারের
তবে রাজ্যে বিজেপি (BJP) সরকার গঠনের পর থেকেই পঞ্চায়েতের অন্দরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে বলে দাবি স্থানীয় সূত্রের। এবার সেই ক্ষোভ প্রকাশ্যে এল অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে। অনাস্থায় সই করেছেন তৃণমূলের ৬ জন এবং কংগ্রেসের ৭ জন সদস্য। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য কুলভুষণ শর্মা বলেন, “প্রধান কোনও কাজ করেননি। তাই দল বা রাজনৈতিক রং না দেখে সবাই মিলে তাঁকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” যদিও দলের বিরুদ্ধে গিয়ে এই পদক্ষেপের রাজনৈতিক প্রভাব কী হবে, তা সময় বলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একই অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য তথা বিরোধী দলনেতা লক্ষ্মী থাপা। তাঁর দাবি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তৃণমূল ও কংগ্রেস সদস্যরা একজোট হয়ে এই অনাস্থা এনেছেন। অন্যদিকে প্রধান সঞ্জীব সিনহার দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে, এমন কোনও তথ্য তিনি জানতেন না। কারা কেন এই পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন বলে জানিয়েছেন।
দেখুন অন্য খবর :







