কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের ধাক্কা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। তার মধ্যেই দলের অন্দরে ক্রমশ বাড়ছে অসন্তোষ ও বিভাজনের জল্পনা। একাধিক বিধায়ক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন বলে খবর। এই আবহেই রবিবার কালীঘাটে (Kalighat) নিজের বাসভবনে জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে শেষমেশ সেই বৈঠক হয়নি বলেই খবর।
রবিবার সকাল থেকেই কালীঘাট চত্বরে বাড়তে থাকে রাজনৈতিক তৎপরতা। বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কলকাতার মেয়র তথা কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, দলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন মন্ত্রী পুলক রায়, চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মেটিয়াবুরুজের আব্দুল খালেক মোল্লা, ধনেখালির অসীমা পাত্র, কামারহাটির মদন মিত্র এবং কালিগঞ্জের বিধায়ক খলিফা আহমেদ।
আরও পড়ুন: স্যালাইন-অক্সিজেনে আপাতত বাড়িতেই অভিষেক, ভাইপোর চিকিৎসা নিয়ে মুখ খুললেন মমতা
শুধু কলকাতা বা শহরতলিই নয়, বিভিন্ন জেলা থেকেও বৈঠকে যোগ দেন একাধিক বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পাথরপ্রতিমার সমীর পাঁজা, মালতিপুরের রহিম বক্সী, বজবজের অশোক দেব, রুকবানুর রহমান, পাঁচলার গুলশন মল্লিক, স্বরূপনগরের বীনা মণ্ডল, চাপড়ার জেবের শেখ এবং হরিশচন্দ্রপুরের মতিবুর রহমান।
দলের অন্দরের সূত্রের দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই ক্ষোভ এবং অসন্তোষ জমতে শুরু করেছে তৃণমূলের অন্দরে। অনেক বিধায়ক নিজেদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দোটানায় রয়েছেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছিলেন দলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই বৈঠক আজ হল না।
দেখুন আরও খবর:







