ওয়েব ডেস্ক: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের সংঘর্ষে (Pak Army Vs Common People Clash) অন্তত ১১ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭০ জন। আসন্ন নির্বাচনের আগে এই অশান্তি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে গোটা অঞ্চলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৭ জুলাই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তার আগে নাগরিক সমাজের সংগঠন জেএএসি-কে (JAC) নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সংগঠনটির সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা দমনে প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে।
এই আবহে মঙ্গলবার জেএএসি ধর্মঘটের ডাক দেয়। তবে তার আগেই রাওয়ালকোটে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। জানা গিয়েছে, পুলিশের গুলিতে নিহত এক সমাজকর্মীর দেহ স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল। সেখানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। অভিযোগ, সেই জমায়েতের উপর পাকিস্তান রেঞ্জার্স ও পুলিশ অভিযান চালায়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত সংঘর্ষে পরিণত হয়। প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ও নিরাপত্তারক্ষী উভয় পক্ষের সদস্য রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।
আরও পড়ুন: সাহারা মরুভূমিতে মর্মান্তিক মৃত্যু, তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ জনের
অশান্তির জেরে পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে যে একাধিক দেশ তাদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রয়োজন ছাড়া সেখানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেএএসি-র পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বনধ কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি একটি দীর্ঘ পদযাত্রার ডাক দেওয়া হয়েছে। ভীম্বর থেকে শুরু হয়ে মিরপুর, কোটলি ও পুঞ্চ অতিক্রম করে ১০ জুন মুজাফফরাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে এই কর্মসূচির। সেখানে বিধানসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভের পরিকল্পনাও রয়েছে।
দেখুন আরও খবর:







