ওয়েব ডেস্ক : রথযাত্রা (Rath Yatra) মানেই বাঙালির মনে শারদোৎসবের আগমনী বার্তা। জগন্নাথদেবের রথের চাকা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় দুর্গাপুজোর দিনগোনা। রাজ্যের নানা প্রান্তে এদিন খুঁটিপুজোর মধ্য দিয়ে উৎসবের প্রস্তুতিতে মেতে ওঠেন উদ্যোক্তারা। রথযাত্রার শুভলগ্নেই মর্ত্যে মা দুর্গার আগমন বার্তার সূচনা হয়।
এবারের দুর্গাপুজো (Durga puja) গত বছরের তুলনায় কিছুটা দেরিতে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর, শনিবার মহালয়া পালিত হবে। ওই দিনই শেষ হবে পিতৃপক্ষ এবং সূচনা হবে দেবীপক্ষের। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে শুরু হবে দেবীর আবাহন। এরপর ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে শারদীয় নবরাত্রি।
আরও খবর : মিড ডে মিলে ইসকনের ভূমিকা বাড়ানোর ইঙ্গিত, পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দিতেই সিদ্ধান্ত: শুভেন্দু
২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর (Durga puja) নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার মহাষষ্ঠী। ১৭ ও ১৮ অক্টোবর, শনি ও রবিবার টানা দু’দিন পালিত হবে মহাসপ্তমী। ১৯ অক্টোবর, সোমবার মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর, বুধবার বিজয়া দশমী। টানা দু’দিন মহাসপ্তমী পড়ায় এবারের পুজোয় বাড়তি উৎসবের আবহ তৈরি হবে বলেই মনে করছেন পঞ্জিকা বিশেষজ্ঞরা।
শাস্ত্র অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে গজে বা হাতিতে, কারণ মহাসপ্তমী রবিবারে পড়েছে। গজে আগমনকে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত বৃষ্টির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে, বুধবার বিজয়া দশমী হওয়ায় দেবীর গমন হবে নৌকায়। শাস্ত্র মতে, নৌকায় গমন একদিকে যেমন ভালো শস্য উৎপাদনের ইঙ্গিত দেয়, তেমনই অতিবৃষ্টি বা প্লাবনের সম্ভাবনাও বহন করে। সব মিলিয়ে রথযাত্রার শুভক্ষণ থেকেই শুরু হয়ে গেল বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর প্রতীক্ষা।







