ওয়েব ডেস্ক : ইরানকে (Iran) কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত বদলে যাচ্ছে পরিস্থিতি। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই একের পর এক ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে গোটা অঞ্চল। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সইয়েদ আব্বাস আরাঘচি। জানা যাচ্ছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর আলোচনায় উঠে আসে ইরান এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বর্তমান সঙ্কটজনক পরিস্থিতি।
ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা তীব্র হয়েছে, আমেরিকা (America) কি ইরানের উপর সামরিক অভিযান চালাতে চলেছে? সূত্রের খবর, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় কাতারে অবস্থিত মার্কিন বায়ুসেনার গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি থেকে সেনা ও কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ইরানে হামলা হলে পালটা আঘাত হানতে পারে তেহরান, যার নিশানায় পড়তে পারে মার্কিন ঘাঁটিগুলি।
এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদ ক্রমেই হিংসাত্মক রূপ নিচ্ছে বলে খবর। এই আবহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। পরিস্থিতির অবনতির জেরে আমেরিকা ও ভারত—দু’দেশই তাদের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও খবর : ভিসা ছাড়া কতগুলি দেশে যেতে পারবেন ভারতীয়রা? দেখুন বড় খবর
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই জয়শঙ্করের (Jaishankar) সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপের খবর প্রকাশ্যে আসে। পরে এক্স-এ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর জানান, ইরানের অন্দরে এবং ইরানকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়েই দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে আমেরিকা চুপ থাকবে না।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইরানের একটি পরমাণু গবেষণাকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ফের কি সেই পথেই হাঁটছে ওয়াশিংটন? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে।
দেখুন অন্য খবর :






