ওয়েবডেস্ক- ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh Border) এ রাজ্যের ১২৮ কিলোমিটার জমিতে কাঁটাতারের বেড়া (Barbed wire fence) দেওয়ার দাবিতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় (Public interest litigation) রাজ্যের রিপোর্টে চরম ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট (High Court) ।
প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ ভুমি ও ভুমি সংস্কার দফতরের জয়েন্ট ডিরেক্টরকে ব্যাক্তিগত ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁকে ১৫ দিনের মধ্যে নিজের পকেট থেকে এই টাকা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্ট লিগাল সার্ভিস কতৃপক্ষকে।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারির আদালত বেড়া দেওয়ার কাজ যতটা অংশে বাকি রয়েছে পুরোটার বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়ে ছিল। কোন অংশের জমি কেন হস্তান্তর হয়নি সবটা জানিয়ে। কিন্তু এদিন শুনানিতে ভুমি সংস্কার দফতরের ডিরেক্টর মাত্র ৮ কিলোমিটার জমির বিষয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন। এই রিপোর্ট দেখেই ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি পরবর্তী শুনানিতে রিপোর্টে বিস্তারিত তথ্য দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন- নির্বাচন করাতে গিয়ে ভোট কর্মীরা খাবে কী? মূল্য তালিকা বেঁধে দিল কমিশন
ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তের ৪০৯৬.৭ কিমির মধ্যে প্রায় ৩২৩২ কিমিতে কাঁটাতারের বেড়া নির্মিত হয়েছে, যা মূলত পাচার ও অবৈধ পারাপার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে ৮৬৪ কিমির বেশি এলাকা এখনও অরক্ষিত, যেখানে জমি অধিগ্রহণ ও স্থানীয় বিরোধের কারণে কাজ আটকে রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে বিএসএফের (BSF) হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্ট অরক্ষিত অংশে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া বসানোর নির্দেশ দিয়েছে, সেইসঙ্গে জমি হস্তান্তরের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপি সরকার সীমান্ত দ্রুত সিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন সীমান্তে নতুন ডিজাইনের কাঁটাতারের বেড়া তৈরির প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে। একদিকে কাঁটাতাএর বেড়া দেওয়া নিয়ে বাংলায় ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে দ্বন্দ্ব অব্যাহত।







