ওয়েবডেস্ক- আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সমস্ত রাজ্যের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের (Election Commission) দিল্লিতে (Delhi) জাতীয় সম্মেলনে (National Conference) ডাক দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ২৫ বছর পর জাতীয় সম্মেলন হতে চলেছে। ১৯৯৯ সালের শেষ এই ধরনের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়ে সম্মেলন হয়েছিল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar) সহ নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ এই সম্মেলনে থাকবেন। বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্য নির্বাচন কমিশনাররা তাঁদের লিগাল এক্সপার্ট এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের নিয়ে এই সম্মেলনে যোগ দিতে পারবেন।
বিভিন্ন রাজ্যের CEO রাও এই সম্মেলনে থাকবেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমন্বয় রক্ষার উদ্দেশ্যেই এই সম্মেলন বলে কমিশনের সূত্রে খবর। পাঁচটি রাজ্য থেকে ১৭০ জন আধিকারিকদের বিকল্প নাম জাতীয় নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কোনও রাজ্য থেকেই বিকল্প নাম গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের চিহ্নিত তালিকাভুক্ত আধিকারিকদেরই প্রশিক্ষণে ডাকা হয়েছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচন কমিশনার ডঃ সুখবীর সিং সান্ধু ও ডঃ বিবেক যোশীর সঙ্গে সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকেরা এই জাতীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন।
আরও পড়ুন- মমতার সওয়ালের পর কমিশনকে নোটিস দিয়ে শীর্ষ আদালত বলল, ‘সংবেদনশীল হোন’
এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন জানিয়েছে, এই সম্মেলনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ECI ও SEC-এর মধ্যে সমন্বয় গঠন করা। এছাড়া প্রযুক্তি গত বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। ২৫ বছর পর এই বৈঠক এই বৈঠক ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। তাহলে কী নতুন কোন বিল আনতে চলেছে কেন্দ্র? একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে।
পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২টি ভোটমুখী রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলেছে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে কমিশনের সংঘাত অন্য দিকে মোড় নিয়েছে। কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সওয়াল করেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের দিল্লিতে জাতীয় সম্মেলন একাধিক জল্পনা উসকে দিচ্ছে।







