Sunday, February 8, 2026
HomeBig newsহাদি কাণ্ডের গ্রেফতারিতে ‘ভারত’ এর নাম? ঢাকার দাবি নস্যাৎ মেঘালয় পুলিশের
Osman Hadi

হাদি কাণ্ডের গ্রেফতারিতে ‘ভারত’ এর নাম? ঢাকার দাবি নস্যাৎ মেঘালয় পুলিশের

বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ‘অসত্য’ বলেও দাবি করা হয়েছে

ওয়েবডেস্ক-  হাদি কাণ্ডে (Osman Hadi) বাংলাদেশের (Bangladesh) দাবি নস্যাৎ করল মেঘালয় পুলিশ (Meghalaya Police)। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি খুনে মূল সন্দেহভাজনরা ভারতে পালিয়ে এসেছে, এমনটাই দাবি করে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এসএন নজরুল ইসলাম (DMP Additional Commissioner SN Nazrul Islam) । এদিকে বাংলাদেশ পুলিশের দাবিকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিল মেঘালয় পুলিশ। সেইসঙ্গে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ‘অসত্য’ বলে দাবি করা হয়েছে। মেঘালয় পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগাযোগ করা হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখিত কোনও অভিযুক্তকে গারো পাহাড়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোনও গ্রেফতারও হয়নি’।

ঢাকা পুলিশের ওসমান হাদি খুনে মূল দুই অভিযুক্ত ফয়জল করিম ওরফে দাউদ খানের দুই সহযোগীকে গ্রেফতারের দাবি উড়িয়ে দিল মেঘালয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ফয়জল সীমান্ত পার করে ভারতে ঢুকেছে, তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে মেঘালয় পুলিশ।

আরও পড়ুন-  ওসমান হাদির হত্যাকারীরা ভারতে পালিয়েছে! দাবি ঢাকা পুলিশের

গত ১২ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনা সামনে আসতেই গোটা বাংলাদেশ অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

হাদি হত্যায় সাংবাদিক বৈঠকে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এসএন নজরুল ইসলাম (DMP Additional Commissioner SN Nazrul Islam) দাবি করেন,  হাদির হত্যাকারীরা ময়মনসিংহ থেকে সীমান্ত পার করেছে। সন্দেহভাজন মূল অভিযুক্ত ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর শেখ স্থানীয় সহযোগীদের সহায়তায় ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করে। তাদের কাছে তথ্য আছে, সন্দেহভাজনরা হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। সীমান্ত পার হওয়ার পর প্রথমে তাদের অভ্যর্থনা জানায় পূর্তি নামে এক ব্যক্তি। পরে সামি নামে এক ট্যাক্সি চালক তাদের মেঘালয়ের তুরা শহরে নিয়ে যায়।

ডিএমপি কর্মকর্তা আরও দাবি, পুলিশের কাছে খবর এসেছে যে সন্দেহভাজনদের সহায়তাকারী দুই ব্যক্তি, পূর্তি এবং সামিকে ভারতীয় প্রশাসন আটক করেছে। সন্দেহভাজনদের ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার ভারতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তাদের গ্রেফতার এবং প্রত্যর্পণ নিশ্চিত করার জন্য আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয় মাধ্যমেই ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে তারা। এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এসএন নজরুল ইসলামের এই প্রেস বিবৃতির পরেই মেঘালয় পুলিশ ঢাকার এই সমস্ত দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে।

 

Read More

Latest News