ওয়েব ডেস্ক : সম্প্রতি তিন কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) গাজিয়াবাদে (Ghaziabad)। তাঁরা এক বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল বলেই জানা গিয়েছিল। এই ঘটনায় গোটা দেশে নড়েচড়ে বসেছিল। তবে কী কারণে তাঁরা আত্মঘাতী হয়েছিল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এই রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় এবার নয়া তথ্য সামনে এল।
তদন্তে পুলিশ (Police) জানতে পেরেছে, ২০১৫ সালে এক আত্মহত্যার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল তিন কিশোরীর বাবা চেতনের। তিনি ছিলেন চেতনের লিভ ইন পার্টনার। আগের এই আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
আরও খবর : হরিয়ানায় মেলায় ছিঁড়ে পড়ল সুনামি দোলনা, আহতদের উদ্ধারে গিয়ে মৃত্যু পুলিশ অফিসারের
আর এ নিয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, শাহিবাবাদ পুলিশ (Police) স্টেশনের অন্তর্গত রাজেন্দ্র নগর কলোনিতে ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে ২০১৫ সালে আত্মঘাতী হয়েছিলেন চেতনের তৎকালীন লিভ ইন পার্টনার। তবে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সেই ঘটনায় সঙ্গে তিন কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে সূত্রের খবর, চেতনের তিন স্ত্রী। তিন জন সম্পর্কে বোন। অন্যদিকে বাজারে চেতনের বহু টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল বলেও খবর। তিন মেয়ের মোবাইল বিক্রি করেই বাড়ির বিদ্যুতের বিল মেটানো হয়েছিল বলেই জানা যাচ্ছে।
তিন কিশোরীর আত্মহত্যা নিয়ে প্রথমে জানা গিয়েছিল, তারা কোরিয়ান ড্রামায় আসক্ত ছিল। ঘটনার দিন জানা গিয়েছিল, তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নেওযার পরেই ওই কিশোরীরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছিল। কিন্তু এই তথ্য কি সত্যি? না এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রহস্য? না রয়েছে সাংসারিক কোনও অশান্তি? ফলে সব কিছু নিয়েই একাধিক প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
দেখুন অন্য খবর :







