নরেন্দ্রপুর- আনন্দপুর (Anandapur) দুর্ঘটনাস্থলে এলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (Human Rights Commission) ৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল। এই দলটি সোমবার দুপুরে কলকাতায় আসে। বিকেলে আলিপুরে (Alipore) দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) জেলাশাসকের সাথে বৈঠক করেন। আজ সকালে তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন। বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের সাথে তার বৈঠক করারও কথা রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৮দিন অতিক্রান্ত।
আরও পড়ুন- মাধ্যমিক দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা! হাসপাতালেই পরীক্ষায় বসে নজির ছাত্রীর
রবিবার পর্যন্ত সার্চ অপারেশন হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩জন গ্রেফতার। মোমো কর্মীদের নিয়ে সোমবার মোমো সংস্থার অফিসে তল্লাশি অভিযানে চালানো হয় অন্যদিকে ডেকরেটার্স সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাসের বাড়ি থেকেও নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, আনন্দপুর নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই নামী মোমো তৈরির কারখানায় আগুন, তার সঙ্গে ডেকরের্টসের কারখানা পুড়ে ছাই। একাধিক মানুষের এখনও খোঁজ নেই অনেকের। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সরকার মৃতদের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
গত রবিবার আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় দু’টি গুদামে আগুন ধরে যায়। যার মধ্যে ছিল ওয়াও মোমোর গুদাম। অপরটি ডেকরেটার্সের গুদাম। এখনও পর্যন্ত ২৭ জনের নামে নামে নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে থানায়। এই ঘটনার পর পরেই পুলিশ জানিয়ে দেয়, এলাকায় পাঁচ জনের বেশি জমায়েত করতে কেউ পারবেন না। এই মর্মে নোটিস সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে গার্ডরেলে। পুলিশ সূত্রে দাবি, জমায়েতের কারণে ওই এলাকায় তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই কারণেই এই পদক্ষেপ। বারুইপুর আদালতে অনুমতি নিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।






