Thursday, May 14, 2026
HomeScrollটাটাদের ৭৬৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ স্থগিত করল কলকাতা হাইকোর্ট
Calcutta High Court

টাটাদের ৭৬৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ স্থগিত করল কলকাতা হাইকোর্ট

তৃণমূল সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টের রায়

কলকাতা: সিঙ্গুরের (Singur Case) জমি নিয়ে টাটাদের ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা অ্যাওয়ার্ড এর নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ। আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ দিলেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়। আট সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে। তৃণমূল সরকারের (Trinamool Govt) আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এই রায়।

২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে একটি তিন সদস্যের সালিশি আদালত নির্দেশ সিঙ্গুরে কারখানা গড়তে না পারার জন্য টাটা মোটরসকে ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।এই মূল টাকার সাথে ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা পাওয়ার দিন পর্যন্ত বার্ষিক ১১% হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ অতিরিক্ত ১ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে (WBIDC) মেটাতে হবে। তৃণমূল সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন জানায়। ৩১ আগস্ট ২০১৬ তারিখে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য করা ৯৯৭ একর জমি অধিগ্রহণকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের রেহাই নেই… ‘সিঁদুর’ বর্ষপূর্তিতে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে কৃষকদের জমি ফেরত দিতে হবে।আদালতের নির্দেশে রাজ্য সরকার সেই জমি চাষযোগ্য করে কৃষকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করে, যদিও চাষের অনুপযুক্ততা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে অভিযোগ রয়ে গিয়েছে। ২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। ২০০৮ সালে তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের মুখে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর ‘সিঙ্গুর ল্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্ট’ পাস করে জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে।

২০০৬ সালের বিধানসভা ভোটে জয় পাওয়ার পরে হুগলির সিঙ্গুরে টাটার ন্যানো গাড়ি কারখানা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। টাটাকে এ বাবদ ১০০০ একর জমি দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিঙ্গুরে গাড়ি প্রকল্প গড়তে পারেনি টাটা। গাড়ি প্রকল্প যখন ব্যর্থ হয়, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার টাটার কাছে জমি ফেরত চেয়ে পাঠায়। টাটা গোষ্ঠী জমি ফেরাতে সম্মত হয়। পাশাপাশি, জমি ফেরানো বাবদ খরচ দাবি করে রাজ্য সরকারের কাছে। ওই জমির পিছনে টাটার বিনিয়োগ করা অর্থও। টাটার প্রস্তাবে রাজি হয়নি রাজ্য সরকার। তার পর সেই লড়াই যায় আদালতে।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto