Monday, May 18, 2026
HomeScrollঅসুস্থতা জয় করে মেধাতালিকায় ইছাপুরের শুভম! তাঁর লড়াইটা আপনার চোখে জল এনে...
Success Story

অসুস্থতা জয় করে মেধাতালিকায় ইছাপুরের শুভম! তাঁর লড়াইটা আপনার চোখে জল এনে দেবে

শুধু পড়াশুনা নয়, বেহালা বাজাতেও বেশ দক্ষ ইছাপুরের এই মেধাবী ছাত্র

ওয়েব ডেস্ক: অদম্য জেদ আর ইচ্ছেশক্তি থাকলে যে সব ধরণের বাধা অতিক্রম করে সাফল্যের সিঁড়িতে পা রাখা যায়, তা আরও একবার প্রমাণ করল ইছাপুরের শুভম দাস। সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষায় (CBSE Board Exam) ৯৯.৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে আজ পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছে সে। তবে শুধু পড়াশুনা নয়, এই ক্ষুদের বেহালার সুর শ্রোতাদের মনে এনে দেয় এক আনন্দের জোয়ার। তবে এই গুণী বালক যে কতটা লড়াই করে এই সাফল্যের স্বাদ পেয়েছে, তা জানলে আপনিও অবাক হবেন।

বোর্ড পরীক্ষার ছ’মাস আগে পাইলোনিডাল সাইনাস অপারেশন হয় শুভমের। ডাক্তার বলেছিলেন, কম করে তিন সপ্তাহ ‘বেড রেস্ট’। কিন্তু সামনে সিবিএসসি বোর্ড পরীক্ষা। তার পড়ার ঘর ছিল দোতলায়। অপারেশনের পর সেলাইয়ের জায়গায় টান লাগত বলে সিঁড়ি ভাঙা সম্পূর্ণ বারণ। কোমরের নিচে অপারেশন হওয়ায় ১০ মিনিটের বেশি একটানা সোজা হয়ে বসাও ছিল অসম্ভব।

এদিকে দিনে তিনবেলা পেইনকিলার আর অ্যান্টিবায়োটিক। ডাক্তার বলেছিলেন ঘাম লাগলে ইনফেকশন হতে পারে। একেকটা সময় মনে হত, বোধহয় সত্যিই পারবে না এইভাবে। রাতে ঘুম আসত না টেনশনে। পরীক্ষার হলে একটানা ৩ ঘণ্টা বেঞ্চে বসা ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। স্যারদের অনুরোধ করে মাঝে পাঁচ মিনিটের জন্য দাঁড়ানোর অনুমতি বরাদ্দ হয়েছিল। প্রতিটা পরীক্ষার শেষে বাড়ি ফিরে ক্ষতস্থান ফুলে যেত, ব্যথা বাড়ত। আবার ড্রেসিং, আবার ওষুধ। পরের দিন আবার একই লড়াই।

আরও পড়ুন: আজও ঝড়-বৃষ্টির দাপট, সপ্তাহ ঘুরতেই বাড়বে গরম

এভাবেই ইছাপুরের ইস্ট পয়েন্ট স্কুলের শুভম দাস ৯৯.৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে সিবিএসসি-তে সর্বভারতীয় স্তরে শীর্ষ দশে স্থান করে নিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন। নানা প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও অটল ছিল ইছাপুরের শুভম দাসের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং অদম্য পরিশ্রম। তার এই সাফল্য শুধুমাত্র নম্বরের হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একাগ্রতা ও লক্ষ্যের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে ইস্ট পয়েন্ট স্কুলের শিক্ষকদের আন্তরিক অবদান এবং ব্যক্তিগত অঙ্কের শিক্ষক অজয় ভৌমিকের নিরলস উৎসাহ।

এদিকে শুভমের বাবা বেসরকারি স্কুলের ড্রইং এর শিক্ষক। রোজ ভোর ৪টেয় উঠে বাবা রান্না করেন। টিফিন গুছিয়ে, জলের বোতল ভরে, তারপর স্কুলে দিয়ে আসা, আবার ছুটির পর নিয়ে আসা। সবটা একা হাতে। কোনওদিন বলেননি “ক্লান্ত”। বলতেন, “তুই পড়, বাকিটা আমি দেখছি।” আর মা? শুভমের স্কুলের ভূগোল টিচার। ম্যাপ, স্কেল, ডায়াগ্রাম মা-ই হাতে ধরে শিখিয়েছেন। রাত জেগে আমার নোট চেক করা, ভুল ধরিয়ে দেওয়া, স্যাম্পল পেপার কারেকশন। সর্বোপরি বাবা মায়ের সহযোগিতা ও গাইডেন্স ছাড়া এই নম্বর অসম্ভব ছিল।

ইছাপুরের ইস্ট পয়েন্ট স্কুলের ছাত্র শুভম দাসের নেশা তার জুড়ে সার্কিট বানানো, বেহালার ছড় টানা আর গলা ছেড়ে গান। রেজিস্ট্যান্স মিলিয়ে এলইডি জ্বললে যেমন আনন্দ, ভায়োলিনে ঠিক সুর লাগলেও তেমন। পড়ার টেবিল থেকে সোল্ডারিং, সেখান থেকে রেওয়াজ।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot