ওয়েবডেস্ক- ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ, তবে জাঁকিয়ে শীতের (winter) দেখা দেখা নেই, তার বদলেই ২০২৫ এ নিজের দাপট ধরে রাখল এল নিনো। তার প্রভাবে থমকে শীত। লা নিনা (La Niña) ও উত্তুরে হাওয়া প্রভাবে জাঁকিয়ে শীতের পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর (Weather Office), কিন্তু ভিলেনের মতোই এসে হাজির এল নিনো। ফলে ২০২৫-ও শীতপ্রেমীদের প্রত্যাশা মেটাতে পারল না। পৌষমাসের সেই কনকনে ঠান্ডার প্রভাবে নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী চারদিন তাপমাত্রার বিশেষ কোনও হেরফের হবে না। এর পর বুধবার থেকে দু’ডিগ্রি কমবে তাপমাত্রা। যার কারণে বড়দিনে তুলনামূলক বেশি ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। আজ শনিবার দিনের আকাস পরিষ্কার। তবে ভোরের দিকে কুয়াশা থাকবে।
সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করবে। আপাতত আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে, ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব নেই। আজ শনি ও রবিবার ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট (Fog Alert) থাকবে। দৃশ্যমানতা অনেকটা নেমে যেতে পারে। আজ পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে কুয়াশার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ওই তিন জেলায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নামতে পারে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছে। ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য এলাকাতে। ইরান সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে অসমে। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই তাপমাত্রা বাড়ছে।
আরও পড়ুন- শনিবার নদিয়ায় মোদির সভা, মতুয়াদের কী বার্তা দেবেন নমো?
উত্তরবঙ্গেও কুয়াশার দাপট থাকবে। আজ দুই দিনাজপুর, মালদায় দৃশ্যমানতা নামতে পারে ৫০ মিটারে। সেখানেও হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরের ৫ জেলায় সমতলে তাপমাত্রা থাকবে ৯-১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।
দেখুন আরও খবর-







