ওয়েব ডেস্ক : গত শনিবার থেকে বারুদের গন্ধ মধ্যপ্রাচ্যে। ইরানের (Iran) বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে আমেরিকা (America) ও ইজরায়েল (Israel)। তার পাল্টা জবাব দিতে প্রতিবেশি একাধিক দেশে হামলা শুরু করেছে ইরান। যার ফলে পরিস্থিতি অনেক জটিল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে কমে গেল অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম (Oil Price)।
জানা যাচ্ছে, সংঘর্ষের পর থেকে ১৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল ক্রুড অয়েলের (OIL) দাম। শুক্রবার সকালে তেলের দাম ১.৫২ শতাংশ কমে গিয়েছে। ফলে প্রতিব্যারেল ক্রুড অয়েলের দাম হয়েছে ৮৪.২১ মার্কিন ডলার। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েড ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দামও কমেছে ২.১০ শতাংশ। ফলে প্রতি ব্যারেলের দাম হয়েছে ৭৯.৩১ ডলার।
আরও খবর : কতদিন চলবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘর্ষ? মুখ খুললেন ট্রাম্প
সম্প্রতি আমেরিকার তরফে ইউএস ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের কারণে আগামী ৩০ দিন রাশিয়া থেকে তেল (Russian Oil) আমদানি করতে পারবে ভারত (India)। তার ফলেই তেলের দাম কমেছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, রাশিয়া থেকে তেল না কেনার জন্য নয়াদিল্লির উপর বেশ কিছু সময় ধরে চাপ সৃষ্টি করে আসছিল আমেরিকা। এমনকি ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আবহে সেই সিদ্ধান্ত থেকে কিছুটা সর এল আমেরিকা।
তাদের উপর হামলা হতেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। আর এই প্রণালী থেকে বিশ্বের তেল সরবরাহের ২০ শতাংশ আসে। কিন্তু, এই প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার কারণে বাজারে বাড়তে শুরু করে দিয়েছে তেলের দাম। এদিকে রাশিয়া থেকে ভারত যদি এখন তেল কিনতে পারে, তাহলে তা ভারতের তেল সংস্থাগুলির কাছে হবে স্বস্তিদায়ক।
দেখুন অন্য খবর :







