ওয়েবডেস্ক- আজ থেকে এসআইআর পর্বের শুনানি (SIR Hearing) শুরু। প্রথম ধাপে ডাকা হবে নো ম্যাপিংয়ের ৩২ লক্ষ ভোটারকে। শুনানির দায়িত্বে রয়েছেন ERO, AERO। এছাড়াও থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররাও।
এই পর্বে প্রায় ১ কোটির বেশি ভোটারকে শুনানির আওতায় আনা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে কমপক্ষে ১১টি করে শুনানির টেবিল বসানো হবে। প্রতিটি টেবিলে উপস্থিত থাকবেন একজন ইআরও বা এআরও এবং একজন মাইক্রো অবজার্ভার। রাজ্যজুড়ে মোট ৩,২৩৪টি টেবিলে শুনানি চলবে। প্রয়োজনে টেবিলের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। প্রায় চারহাজারের বেশি মাইক্রো অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার জারি করা এক নির্দেশিকায় নির্বাচন কমিশন কীভাবে শুনানি হবে, তার নিয়ম স্পষ্ট করেছে। যেসব ভোটারকে ইআরও-রা নোটিস পাঠিয়েছেন, তাঁদের যোগ্যতা প্রমাণে নির্দিষ্ট নথি জমা দিতে হবে।
এর মধ্যে আগের SIR-এ ম্যাপিং সংক্রান্ত নথিও থাকতে পারে। জমা দেওয়া সমস্ত নথি BLO অ্যাপের মাধ্যমে আপলোড করতে হবে, যা পরে ইআরও- পরীক্ষা করবেন। আপলোড হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচন আধিকারিক –এর মাধ্যমে নথি যাচাই করা হবে। কমিশনের (Election Commission) তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ লক্ষ ভোটারকে শুনানির এই নোটিস দেওয়া হয়েছে। মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ভোটারের নাম যাচাইয়ের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের তথ্যে কিছু অসঙ্গতি রয়েছে এবং ৩১ লক্ষ ভোটারের নামের সঙ্গে কোনও ম্যাপিং নেই। প্রথমে এই ৩১ লক্ষ ভোটারের শুনানি শুরু হবে।
আরও পড়ুন- এবার নিখোঁজ BLO! কোথায়? কেন?
উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর প্রথম পর্বের SIR শেষ হওয়ার পর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তথ্যে দেখা যায়, ভোটারের সংখ্যা, ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৭.০৮ কোটিতে নেমেছে। BLO অ্যাপে ৫৮ লক্ষেরও বেশি এনুমারেশন ফর্ম আপলোড না হওয়ায় সেই নামগুলি বাদ পড়েছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে রয়েছে প্রায় ২৪ লক্ষ মৃত ভোটার, ১২ লক্ষের বেশি ভোটারের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি, ১৯ লক্ষের বেশি স্থায়ীভাবে অন্যত্র স্থানান্তরিত ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ১.৩৭ লক্ষ ভোটার এবং অন্যান্য প্রায় ৫৭ হাজার ভোটার।
শুনানিতে সরকারি কর্মী বা পেনশনভোগীর পরিচয়পত্র, মাধ্যমিক বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র, জন্ম শংসাপত্র, পাসপোর্ট, ১৯৮৭ সালের আগে ইস্যু করা পোস্ট অফিস বা ব্যাঙ্কের নথি, রাজ্য সরকারের আবাসিক শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্র, বনাধিকার শংসাপত্র, পারিবারিক নথি, অথবা সরকারি জমি বা বাড়ি বরাদ্দ সংক্রান্ত কাগজপত্র। তবে কমিশন স্পষ্ট করেছে, শুধু আধার কার্ডকে একমাত্র পরিচয় পত্র হিসেবে দেখালে চলবে না।







