ওয়েবডেস্ক- আজ শহরে মোদি (Narendra Modi) । আজ প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা (Tight security)। ব্যারিকেড (Barricade) করে দেওয়া হয়েছে প্রায় গোটা তিলোত্তমা। নির্বাচনী প্রচারের (Vote Campaign) শেষ লগ্নে বাংলায় পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। একদিকে নিরাপত্তা সেইসঙ্গে সাধারণ মানুষ যাতে কোনও সমস্যার মধ্যে না পড়ে তার জন্য একাধিক রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই সমস্ত কিছু নিশ্চিত করতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ (Traffic Control) করবে লালবাজার (Lal Bazar)। ২৯ এপ্রিল (29 April) দ্বিতীয় দফার ভোট।
ফলে ২৬ আর ২৭ এপ্রিল, আজ ও আগামীকালী দুদিন বাংলায় সফরে প্রধানমন্ত্রী। কলকাতা পুলিশের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এই দু’দিন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় মালবাহী গাড়ি ও অন্যান্য যান চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সেই সঙ্গে একাধিক রাস্তায় বাস, ছোট গাড়ি থেকে সাধারণ যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।
শহরের ব্যস্ততম রাস্তা যেমন কে পি রোড, রেড রোড, আরআর অ্যাভিনিউ, নেতাজি মূর্তি সংলগ্ন এলাকা, এসপ্ল্যানেড, সিআর অ্যাভিনিউ, গিরিশ পার্ক, হেস্টিংস, এজিসি বোস রোড, ফ্লাইওভার, উল্টোডাঙা- এই সমস্ত বিকেল ৩টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সমস্ত মালবাহী গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।
একমাত্র ছাড়পত্র পাবে জরুরি পরিষেবার গাড়ি, যেমন এলপিজি, পেট্রোলিয়াম, অক্সিজেন, ওষুধ, সবজি, দুধ, মাছ বহনকারী চলতে পারবে।
আরও পড়ুন- ‘জয়ের দোরগোড়ায় বিজেপি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে রিপোর্ট দিল RSS
২৭ এপ্রিল-
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত বিধিনিষিধ বযায় থাকবে। রেড রোড, জেএন আইল্যান্ড, কসুরিনা অ্যাভিনিউ, হেস্টিংস, স্ট্র্যান্ড রোড, এজিসি বোস ফ্লাইওভার, মা ফ্লাইওভার, উল্টোডাঙা, শ্যামবাজার, বেলগাছিয়া-সহ একাধিক ব্যস্ত রুটে মালবাহী গাড়ি, বাস ও বড় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
লোকভবন চত্বর-
লোভ ভবন এবং তার আশপাশে সমস্ত ভারী মালবাহী ট্রাক ২৬ এপ্রিল বিকেল ৩টা থেকে এবং ২৭ এপ্রিল দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারবে না।
এসপ্ল্যানেড এলাকায় সম্পূর্ণ পথ বন্ধ
গোটা প্লেস ইস্ট থেকে এসপ্ল্যানেড রো ইস্ট হয়ে বিজন স্ট্রিট এবং বিবাদী বাগ সাউথ ক্রসিং- এই অংশ ২৬ এপ্রিল সন্ধে ৫টা থেকে এবং ২৭ এপ্রিল দুপুর ১টা পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। এই পথ দিয়ে কোনও দিকেই গাড়ি চলবে না।
গাড়ি ঘোরানো হতে পারে-
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনও সময় যানবাহন ঘোরানো হতে পারে। ট্রাম, ছোট গাড়ি, ট্যাক্সি সব ধরনের যানবাননের উপরেও এই নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে। প্রয়োজন অনুসারে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে, প্রয়োজনে যানবাহন ঘোরানো হতে পারে, সেইসঙ্গে গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পুলিশের তরফ থেকে শহরবাসীকে আগে থেকেই বিকল্প পথ ও সময় পরিকল্পনা করে রাস্তায় বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।







