ওয়েব ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের সংখ্যালঘুর মৃত্যু। শনিবার হেফাজতে থাকাকালীন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু হল সে দেশের প্রবীণ হিন্দু নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের (Ramesh Chandra Sen)। মহম্মদ ইউনুসের (Mohammed Yunus) শাসনকালে কারাবন্দি অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়াতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।
সূত্রের খবর, হাসিনা সরকারের প্রাক্তন জলসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনকে শনিবার সকালে দিনাজপুর জেলা জেল থেকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয় বলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে একাধিক বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে অনেকেই দাবি করেছেন যে, একজন প্রাক্তন মন্ত্রী হিসেবে যে ন্যূনতম চিকিৎসা ও মানবিক সুবিধা পাওয়ার কথা, তা রমেশ চন্দ্র সেন পাননি। সেই কারণে এই ঘটনাকে ঘিরে ফের প্রশ্ন উঠছে।
আরও পড়ুন: আম্বানির ‘সুইডিশ সুন্দরী’র আবদার মিটিয়েছিলেন এপস্টিন! ফাঁস হল গোপন চ্যাট
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে আওয়ামি লিগ নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক ‘ভূতুড়ে মামলা’ দায়ের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। রমেশ চন্দ্র সেনের বিরুদ্ধেও হত্যা-সহ তিনটি মামলা রুজু করা হয়, যাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করছে তাঁর দল ও সমর্থকেরা।
২০২৪ সালের আগস্টে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবিতে দেখা গিয়েছিল, রমেশ চন্দ্র সেনকে গবাদি পশু বাঁধার দড়ি দিয়ে হাত বেঁধে পুলিশের কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যখন অধিকাংশ আওয়ামি লিগ (Awami League) নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান, তখন সেন নিজের বাড়িতেই ছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, তিনি কোনও অন্যায় করেননি।
দেখুন আরও খবর:







