কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রভারের শেষলগ্নে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভবানীপুর (Bhawanipore)। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) শেষ দফার আগে নিজের কেন্দ্রেই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু শনিবার চক্রবেড়িয়ায় তাঁর এক জনসভা ঘিরে তৈরি হল বিতর্ক। স্বামী নারায়ণ মন্দিরের কাছে আয়োজিত ওই সভায় বক্তব্য রাখার সময় হঠাৎই মাইকের তীব্র শব্দে ব্যাহত হয় তাঁর ভাষণ। অভিযোগ, সভাস্থলের সামনেই বিজেপির (BJP) কর্মসূচি চলছিল এবং সেখান থেকেই উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছিল। এতে বিরক্ত হয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরই সভা মাঝপথে ছেড়ে দেন মমতা।
মঞ্চ থেকেই তিনি উপস্থিত জনতার কাছে দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, “এভাবে মিটিং করা সম্ভব নয়। আমায় ক্ষমা করবেন। এর প্রতিবাদে আমায় ভোটটা দেবেন।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ তোলেন, সমস্ত সরকারি অনুমতি নিয়েই সভা করছিলেন, তবুও এভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “ওরা পশ্চিমবঙ্গ দখল করতে জোর করে যা করছে, তা ঠিক নয়।”
আরও পড়ুন: ‘যমুনায় নৌকাবিহার করে দেখতে পারেন,’ কটাক্ষের সুরে মোদিকে বিশেষ ‘আবদার’ তৃণমূলের
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার ভোটে কলকাতা সহ রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার মধ্যে অন্যতম ‘হাইভোল্টেজ’ কেন্দ্র ভবানীপুর, যেখানে মমতার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই এই কেন্দ্রে দুই শিবিরের প্রচার তুঙ্গে পৌঁছেছে। নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুভেন্দুও ভবানীপুরে জোর প্রচার শুরু করেছেন। শনিবারও ভবানীপুরে তাঁর জনসভা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সন্ধ্যায় মমতার বৈঠক চলাকালীনই কাছাকাছি এলাকায় বিজেপির সভা থেকে মাইকের শব্দ ভেসে আসে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
তৃণমূলের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করে তাদের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে। যদিও বিজেপির তরফে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
দেখুন আরও খবর:







