Placeholder canvas

Placeholder canvas
HomeScrollবিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৭৬ শতাংশ
Lok Sabha Election 2024

বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৭৬ শতাংশ

বাংলায় একাধিক হেভিওয়েট নেতার ভাগ্য পরীক্ষা হল আজ

Follow Us :

কলকাতা: চতুর্থ দফায় (Forth Phase Election ) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৭৬ শতাংশ। বিকেল পাঁচটা অবধি বাংলায় সার্বিক ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ। ভোটদানের হারে এগিয়ে বোলপুর। বহরমপুরের ৭৫.৩৬ শতাংশ, কৃষ্ণনগর ৭৭.২৯ শতাংশ, রানাঘাট ৭৭.৪৬ শতাংশ, বর্ধমান পূর্ব ৭৭.৩৬ শতাংশ, বর্ধমান-দুর্গাপুরে ৭৫.০২ শতাংশ, আসানসোল ৬৯.৪৩ শতাংশ, বোলপুরে ৭৭.৭৭ শতাংশ, বীরভূমে ৭৫.৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। রাজ্য়জুড়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তি হলেও মোটের উপর নির্বিঘ্নে মিটল নির্বাচন।

আজ চতুর্থ দফার ভোট, ৫ জেলার ৮ কেন্দ্রে নির্বাচন। জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১০ রাজ্যে ভোট। বাংলায় মোট ৮ আসন- কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বীরভূম, বোলপুর, বহরমপুর, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোলে ভোট। চতুর্থ দফায় মোতায়েন ৫৭৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ১৪৮ কোম্পানি QRT। দেশজুড়ে ১০ রাজ্যের ৯৬ আসনে ভোট, ১,৭১৭ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ। ৬ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লড়াইয়ের ময়দানে। এই দফায় পরীক্ষা দিলীপ ঘোষ, মহুয়া মৈত্র, শতাব্দী রায়, ইউসুফ পাঠান, অধীর চৌধুরী, শত্রুঘ্ন সিনহা, এসএস আলুওয়ালিয়াদের। বিকাল ৫টা পর্যন্ত দেশের ৯৬টি লোকসভা কেন্দ্রে সামগ্রিক ভাবে ৬২.৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

আরও পড়ুন: তৃণমূলের ক্যাম্প ভাঙার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) অভিযোগের পাহাড় জমেছে। কোথাও ছাপ্পা, তো কোথাও ভোটদানের বাধা দেওয়া হয়েছে। ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। দুর্গাপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। কৃষ্ণনগর লোকসভা (Krishnanagar Lok Sabha) কেন্দ্রের তেহট্টের (Tehatta) রামজীবনপুর ২০৬ ও ২০৭ নম্বর বুথে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে (TMC-BJP Clash) ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গুরুতর আহত বেশ কয়েকজন। কালনা গেট, মন্তেশ্বরে দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা। নাকাশিপাড়ায় পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ। নাকাশিপাড়ার বিলকুমারীতে উত্তেজনা, ভোটারদের বুথে নিয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় চাকদায় জগন্নাথ সরকারকে ঘিরে বিক্ষোভ তৃণমূলের। দুর্গাপুরে তানসেন রোডের তিন নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি (BJP) ও ও সিপিএমের (CPIM) বিরুদ্ধে।

অন্য খবর দেখুন

RELATED ARTICLES

Most Popular