skip to content
Saturday, June 22, 2024

skip to content
Homeচতুর্থ স্তম্ভFourth Pillar | ইডি এখন অদক্ষ অফিসারে ভরে গিয়েছে, বলছেন বিচারপতি
Fourth Pillar

Fourth Pillar | ইডি এখন অদক্ষ অফিসারে ভরে গিয়েছে, বলছেন বিচারপতি

গণতন্ত্রের এই মহোত্তম উৎসবের সময়ে জেলের ভিতরেই আছেন চতুর্থ স্তম্ভের এক কারিগর

Follow Us :

বিচারপতি বলছেন, মমতা ব্যানার্জি নয়, রাহুল গান্ধী নয়, অখিলেশ যাদব নয়, এক বিচারপতি আদালতে বসেই বলছেন, “আমি খুব দুঃখের সঙ্গে বলছি যে তদন্তকারী সংস্থা সঠিকভাবে তদন্ত করতেই পারছে না। আপনি কোনও কিছু ভেরিফাই না করেই তদন্ত করছেন। ইডি দেশের প্রিমিয়ার ইনভেস্টিগেটিং একটি এজেন্সি। ধরে নেওয়া হয় যে সব দক্ষ অফিসারেরা এখানে রয়েছেন। এ তো দেখছি অদক্ষ সব অফিসারে এজেন্সি ভরে গেছে। তদন্তই হচ্ছে না, শুধুমাত্র পেপার ওয়ার্কে মামলা সাজানো হচ্ছে।” হ্যাঁ, সন্ধ্যেয় চা-মুড়ি খেতে খেতে নয়, একজন বিচারপতি বিচারালয়ে বসে ইডির এক মামলা শুনতে শুনতে এই মন্তব্য করলেন। যে কথাগুলো দেশের প্রত্যেক বিরোধী নেতারা রোজ বলে চলেছেন, সাংবাদিকেরা লিখছেন, বলছেন। এক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েই দেশের প্রতিটা প্রতিবাদী মানুষকে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতা কর্মী সমর্থকদেরকে জেলে পাঠানো হচ্ছে, এই ইডিকেই কাজে লাগিয়ে তোলাবাজি চালাচ্ছেন মোদি–অমিত শাহ সেটাও এখন এক্কেবারে পরিষ্কার। আগে ইডি গেছে, তারপরেই টাকা এসেছে কাঁড়ি কাঁড়ি। তো এই কথাগুলো বিচারক বললেন কবে? ১৮ মে, গত শনিবার। আমাদের চ্যানেল সম্পাদক কৌস্তুভ রায়ের বিরুদ্ধে ইডির এক সাজানো মামলার বিচার চলাকালীন তিনি এই কথাগুলো বলেছেন। এবং এই প্রথম নয়, এই একই বিচারকের আগেও এরকম মন্তব্য একাধিকবার করেছেন। তিনি কেন, কোন পরিপ্রেক্ষিতে কী কী বলেছেন আসুন একটু দেখে নেওয়া যাক। প্রথমে মামলাটা কী নিয়ে সেটা বলে দিই।

গল্পের শুরু এক এফআইআর থেকে, ২ নভেম্বর ২০১৭তে রাজস্থানের জয়পুরে এক এফআইআর দায়ের করা হয়। মূলত টাকা তছরুপ, চিটিংবাজি, চিটফান্ডের মাধ্যমে মানুষের টাকা নিয়ে ফেরত না দেওয়া ইত্যাদি ধারায় অভিযোগের ভিত্তিতে ওই জয়পুর থেকেই গ্রেফতার করা হয় পিনকন স্পিরিটস লিমিটেডের মালিক মনোরঞ্জন রায়কে। এফআইআর ছিল আমাদের রাজ্যের খেজুরি থেকেও, তার বহু আগেই করা, ১৯ জানুয়ারি ২০১৭তে দায়ের করা আরেক এফআইআর-এও একই অভিযোগ ছিল, সেটাও এই গ্রেফতারির সঙ্গে জোড়া হল। যথারীতি সার্চ হল, রেড হল বিভিন্ন দফতরে, বিভিন্ন ডকুমেন্টস সিজ করা হল, সেসবের ভিত্তিতে মামলা চলতে লাগল। ২০২০-তে ৩ অক্টোবর বিচারকেরা রায় দিলেন, আজীবন কারাবাসে রায় ঘোষণা হল। এত বড় এক মামলায় যেখানে অপরাধীর আজীবন কারাবাসে সাজা শোনানো হচ্ছে যা প্রায় তিন বছর ধরে চলল, সেই মামলাতে কোনও দলিল দস্তাবেজে কি একবারের জন্য কৌস্তুভ রায়ের নাম বা তাঁর অন্য কোনও কোম্পানির নাম এসেছে? না, আসেনি। কোনও এক চিলতে কাগজেও এরকম কোনও তথ্য নেই। সেসব দলিল দস্তাবেজ আদালত দেখেছে, বাদী, বিবাদী পক্ষের উকিলেরা সেসব দস্তাবেজ নিয়ে সওয়াল করেছেন। না, একবারও সেই দলিল দস্তাবেজের কোথাও না ছিল কৌস্তুভ রায়ের নাম, না তাঁর কোনও কোম্পানির নাম।

তো সেই দলিল দস্তাবেজ দেখে বিচারকেরা বলেছিলেন “Monoranjan Roy has intention to cheat from the very beginning so he did not keep proper legal system because the existence of such systems will be helpful for a clear and clean accounts. He told lies and took loans from the banks. The banks and the authorities had the duty to investigate before giving loans, in that case such irregularities would not be happened. Probably they were purchased by Monoranjan Roy. Monoranjan Roy intentionally created such irregularities so that it cannot be identified easily in case of legal enquiries and legal claim or in investigation. খুব সাফ জানিয়েছিলেন যে এই মনোরঞ্জন রায় একজন ঠগ, প্রতারক, হিসেবের খাতায় যত রকমের গন্ডগোল করা সম্ভব উনি ইচ্ছাকৃতভাবেই করেছেন। বলেছিলেন, the activities of Monoranjan Roy is full of irregularities and he had intention to cheat the public, banks and creditors from the very beginning and his submission and activities are full of contradictions. কেবল সাধারণ মানুষ নয়, ব্যাঙ্ক বিভিন্ন সংস্থাকে সে ঠকিয়েছে, তার কাজকর্ম গোলমেলে, তার বিভিন্ন সময়ে আবেদনে স্ববিরোধিতা আছে এবং সে এগুলো ইচ্ছে করেই করেছে। সেই মনোরঞ্জন রায় ২০২৩-এ হঠাৎই জানালেন তিনি কৌস্তুভ রায়কে টাকা দিয়েছেন। কীভাবে জানালেন? জেরাতে জানালেন, কেবল জানালেন না তিনি একটা হিসেবের খাতার কিছু পাতাও ইমেল করলেন ইডির কাছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কৌস্তুভ রায় ওই ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। জেল খাটছে এমন আসামি ইমেল করলেন? কোথা থেকে? জেল থেকে ইমেল করা যায়? কোন আইনে? তাঁর দফতরের সমস্ত কাগজ আগেই সিজ করেছে বিভিন্ন সংস্থা, তিনি এই হিসেবের খাতা পেলেন কোত্থেকে? কে জোগাল তাকে এই বুদ্ধি? সাজা পেয়ে জেল খাটছেন, তারপরেও তিনি এই তথ্য দিয়ে কার হাত শক্ত করছেন? কৌস্তুভ রায় নিজেই নিজের মামলার সওয়াল করার সময়ে এই কথাগুলো বললেন।

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | এবারের নির্বাচনে মোদির প্রতিপক্ষ দেশের মানুষ, সাধারণ মানুষ

এসব শুনে বিচারক কী বলেছেন শুনুন, “কৌস্তুভ রায়ের প্রশ্নগুলি খুব সাধারণ। এই প্রশ্নগুলোর উপর ভিত্তি করেই সমস্ত তদন্তটি দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে আমরা যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছি, সম্পূর্ণভাবে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার পর্যায়। তাই আমি আশা করব তদন্তকারী সংস্থা এই নথিগুলি আদালতে পেশ করবেন। না হলে বিচার প্রক্রিয়া ইডি কিসের ভিত্তিতে চালাবে? পিএমএল আইনের ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারি বৈধ কি না আমায় আগে দেখতে হবে। কারণ কোন কোন প্রামাণ্য নথি আপনাদের কাছে আছে সেটা আমায় দেখতে হবে। তার উপরে ভিত্তি করেই তো তদন্তের ভিত এবং গ্রেফতারি। সেই বিষয়টা সন্তুষ্ট হলেই পিএমএল আইনের ৪৫ ধারার প্রশ্ন আসবে। এই মামলা থেকে আমার মনে আরও একটি প্রশ্ন উঠছে। মনোরঞ্জন রায় কিন্তু কোনও সাক্ষী নন, তিনি একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। পিনকন মামলায় তিনি মূল অভিযুক্ত। সুতরাং তাঁর স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে কাউকে গ্রেফতার করতে গেলে উপযুক্ত নথি এবং প্রমাণ অবশ্যই তদন্তকারী সংস্থার কাছে থাকতে হবে। এছাড়াও ২০২১ সালে তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে। প্রায় তিন বছর পর কৌস্তুভ রায়ের নাম এল। তার আগে মনোরঞ্জন রায় যে মামলায় সাজা পেয়েছেন সেই মামলায় কৌস্তুভ রায়ের নাম আসেনি। হঠাৎ তিন বছর পর কৌস্তুভ রায়ের নামে এল কেন? কোন কোন নথির ভিত্তিতে এল? অবশ্যই বর্তমান অবস্থায় তদন্তকারী সংস্থাকে আদালতের কাছে এগুলি পেশ করতে হবে।” মানে ঠিক যে বিষয়টা কৌস্তুভ রায়, ওনার উকিল বা আমরা আমাদের অনুষ্ঠানে বারবার বলেছি, সেই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন মাননীয় বিচারক। অভিযোগ মানি লন্ডারিং-এর, তো সেই অভিযোগ নিয়ে কৌস্তুভ রায় বা তাঁর উকিলদের বক্তব্য কী? অভিযোগটা কী? ওই যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামির চিট ফান্ডের ব্যবসা ছিল, সেসব পয়সা নাকি বিজ্ঞাপন দেওয়ার নাম করে কলকাতা টিভিতে পাঠানো হয়েছিল, মানুষের ঘাম রক্তের পয়সা নাকি এইভাবেই এইপথেই ঘোরাফেরা করেছে। মানে মনোরঞ্জন রায় কলকাতা টিভিকে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন, সেই পয়সার কিছু অংশ রেখে আবার তা ফেরত চলে গেছে মনোরঞ্জন রায়ের কাছে। হ্যাঁ, এভাবেই তো বেআইনি টাকা ঘোরে।

ওই মনোরঞ্জন রায়ের হিসেবের খাতা বলছে, উনি তাঁর কোম্পানির বিজ্ঞাপন বাবদ ৩৩ কোটি টাকা খরচ করেছিলেন ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত। ওই হিসেবের খাতা বলছে, মাত্র ৩ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা কলকাতা টিভির কাছে এসেছিল, বাকি টাকা বিভিন্ন চ্যানেল, বিভিন্ন খবরের কাছে গেছে, কত টাকা? ২৯ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা। মানে মোট টাকার ১১ শতাংশ এসেছিল কলকাতা টিভির কাছে, বাকি ৮৯ শতাংশ গিয়েছে বিভিন্ন চ্যানেল আর কাগজের কাছে, তাদেরকে ডাকা হয়েছে? সিবিআই বা ইডি তাদের দফতরে রেইড করেছে? তাদের মালিক সম্পাদকদের গ্রেফতার করা হয়েছে? উত্তর, না। এই মনোরঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে কত টাকা মেরে দেওয়ার অভিযোগ ছিল? ৬৩৮ কোটি টাকার ঘোটালার জন্য ওনার আজীবন কারাবাস হয়েছে, আর কলকাতা টিভির মালিকের উপর সেই ৬৩৮ কোটির কত টাকার গরমিলের অভিযোগ এনেছে ইডি? ১.৫০ কোটি টাকার, মানে দশমিক দুই পাঁচ শতাংশের জন্য একজনকে ধরে ২০০ দিনের বেশি জেলে রাখা হয়েছে। কিন্তু বাকি ৯৯.৭৫ শতাংশ টাকার নয়ছয়ের জন্য, পাচারের জন্য, হিসেবের গরমিলের জন্য দায়ীদের একজনও চিহ্নিতও নয়, এটা ষড়যন্ত্র নয়? এবং সেই স্যাক্রোস্যান্ট হিসেবের কাগজ যা নাকি ওই কনভিক্টেড আসামি ইডিকে দিয়েছেন, যার ভিত্তিতে ইডি কৌস্তুভ রায়কে জেলে পুরেছে, সেটাও কি একটা? একই অ্যাকাউন্টের নানান হিসেব ইডিই লাগাতার দিয়ে চলেছে।

১৭ জুলাই যখন কৌস্তুভ রায়কে গ্রেফতার করা হল, তখন ইডি যে বিজ্ঞাপন বাবদ টাকার হিসেব ওই মনোরঞ্জন রায়ের হিসেবের বইয়ে দেখিয়েছিল তার পরিমাণ ছিল ১.৯১ কোটি টাকা। কিন্তু যখন কৌস্তুভ রায়কে সই করতে বলা হল সেই হিসেবের পাতায় তখন তা কমে ১.৫৫ কোটি টাকা হয়ে গেল। এর কিছুদিন পরেই যখন জামিনের আবেদনে আপত্তি জানিয়ে ইডি আদালতে তথ্য পেশ করল, তখন সেই অঙ্ক কততে দাঁড়াল, আরও কমে তা হল ১.৪০ কোটি টাকা। এটা কি পিসি সরকারের ম্যাজিক, একই হিসেবের বইয়ে যে টাকা নিয়ে একজনকে গ্রেফতার করে ২০০ দিনের বেশি জেলে রাখা হয়েছে তা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। আসলে জেল থেকে ই-মেল করা ওই হিসেবের কাগজের আসলে তো কোনও অস্তিত্বই নেই, কাজেই তা একেক বার একেক রকম হচ্ছে। খুব পরিষ্কার যে হিসেবের খাতা একটা নয়, অনেকগুলো আছে, তা বানিয়েছে হয় ওই যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ওই অপরাধী নাহলে ইডির কর্তারা। এই সওয়াল শুনে বিচারক কী বললেন? “পিনকনের মূল মামলার সঙ্গে কৌস্তভ রায়ের কোনও যোগ নেই। মানি লন্ডারিং ধরতে হলে আপনাদের দেখাতে হবে যখন মনোরঞ্জন টাকাটা তুলেছিলেন তখন মনোরঞ্জনের সঙ্গে কৌস্তুভ রায় যুক্ত ছিলেন, অথবা টাকা তোলার পরে তিনি মানি লন্ডারিং-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। এক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং-এ অভিযুক্ত ও মনোরঞ্জন রায়ের মধ্যবর্তী যোগসূত্রটা আমায় দেখিয়ে দিন।”

বিচারক এরপর ইডির উকিলকে বলছেন, “মনোরঞ্জন রায়ের স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে কী করে আপনি এই তদন্তের ফাউন্ডেশন করেন। আমি যেটা দেখতে পাচ্ছি ইডির সমস্ত উত্তরই হচ্ছে মনোরঞ্জন রায়ের স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে। একজন সাজাপ্রাপ্তের স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে যদি আপনি তদন্ত করতে চান, তাহলে সেই স্টেটমেন্ট তো আপনাকে তদন্ত করে খতিয়ে দেখতে হবে। তদন্ত মানেই কি শুধু মনোরঞ্জনের অ্যাকাউন্টস আর স্টেটমেন্ট-এর উপর ভিত্তি করা পেপারওয়ার্ক ? কৌস্তুভ রায় তো স্বীকার করছেন যে তিনি ১.৯১ কোটি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এবং ৭২ লক্ষ টাকা ক্যাশের মাধ্যমে নিয়েছেন। যে চেকগুলি বাউন্স হয়েছে তার ভিত্তিতে তিনি ক্যাশ নিয়েছেন। আপনি আমাকে পরিষ্কারভাবে বলুন এক্ষেত্রে কৌস্তুভ রায় কীভাবে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তদন্তকারী অফিসারকে বলুন আমাকে দেখাতে যে কোন মেকানিজমের উপর ভিত্তি করে তিনি বলেছেন যে ২৫টা বিল ঠিক আর ১৫টা বিল জাল। কিসের ভিত্তিতে উনি এটা বলছেন?” এরপর ইডির উকিল জানান মনোরঞ্জন রায়ের লেজার খুঁটিয়ে দেখেই তাঁরা এই কথা বলছেন। এবার শুনুন বিচারক কী বলেছেন, “আবারও সেই মনোরঞ্জনের লেজার। এর ভেরিফিকেশন কী আছে আপনাদের তদন্তে? একজন সাজাপ্রাপ্ত যখন একটা স্টেটমেন্ট দিচ্ছে তখন আপনার তো উচিত প্রতি মুহূর্তে সেটা খতিয়ে দেখা। তদন্তকারীর উচিত ছিল পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে চলে যাওয়া। সেখানে গিয়ে দেখা যে কার নামে ডিডি ইস্যু হয়েছে। তাও আবার পয়লা এপ্রিল, যেদিন দেশের সমস্ত ব্যাঙ্ক বন্ধ। আপনি তো সেটাই করেননি। আপনার মামলায় তদন্ত হয়নি, শুধু পেপারওয়ার্কস হয়েছে। আপনি এই কেসে যাকে মূল সাক্ষী করেছেন তার দাবি ছিল ফরেন্সিক অডিট করা। ফরেন্সিক অডিট কি হয়েছে?” এখানে দর্শকদের জানাই যে হ্যাঁ, ফরেন্সিক অডিট হয়েছে এবং এরকম কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এক হাস্যকর মিথ্যে মামলাতে জেলে রাখা হয়েছে কলকাতা টিভির সম্পাদককে। মামলার শুনানি চলাকালীন নতুন তদন্তকারী অফিসার এসেছেন, তাঁর কিছুই জানা নেই, আদালতে এলোমেলো কথা হচ্ছে আর তারিখ নেওয়া হচ্ছে। শেষদিন বিচারক বললেন, “ঘড়ির কাঁটা উল্টোদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছেন, এসব করবেন না, আমি যা জানতে চেয়েছি সেগুলো এনে হাজির করুন।” আমরা জানি ভুয়ো মিথ্যে মামলা, কৌস্তুভ রায় আদালতে দাঁড়িয়েই বলেছেন উনি জামিনও চাইছেন না, চাইছেন সুবিচার, জেলের বাইরে মাদার অফ ডেমোক্রেসির স্বঘোষিত ফাদার নেত্য করছেন, গণতন্ত্রের এই মহোত্তম উৎসবের সময়ে জেলের ভিতরেই আছেন চতুর্থ স্তম্ভের এক কারিগর, এটা লজ্জার, এই লজ্জা সবার।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Video thumbnail
EVM | EC | বিগ ব্রেকিং! এবার EVM চেক হবে! ৬ রাজ্যের ৮ সিটে
00:00
Video thumbnail
Suvendu Adhikari | হঠাৎ কেন সুর নরম ? ধরনা দিতে আদালতে বিকল্প জায়গার প্রস্তাব শুভেন্দুর !
08:54:50
Video thumbnail
লোকসভায় প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মহতাব , সিদ্ধান্তে প্রবল ক্ষুব্ধ কংগ্রেস এবার কী হবে ?
11:54:56
Video thumbnail
Modi-Mamata | আলোচনা ছাড়াই আইন পাস, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার
10:37:11
Video thumbnail
Arvind Kejriwal | আজ জেলমুক্তি কেজরিওয়ালের বিরোধিতায় ইডি
10:55:27
Video thumbnail
Adhir Ranjan Chowdhury | প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়লেন অধীর ? জানুন আসল খবর
00:00
Video thumbnail
আয়করে কি ছাড় বাড়বে ? বড় ঘোষণা হতে চলেছে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে
08:12:41
Video thumbnail
Adhir Ranjan Chowdhury | প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়লেন অধীর ? জানুন আসল খবর
07:35:35
Video thumbnail
NDA | মহারাষ্ট্রে NDA কি ব্যাকফুটে? শিণ্ডে গোষ্ঠীর সঙ্গে মতপার্থক্য? কী হবে?
04:31:35
Video thumbnail
TMC | তোলাবাজি করে মদ-মাংস খেলে ব্যবস্থা ! তৃণমূল কর্মীদের হুমকি মন্ত্রীর
04:21:08