Placeholder canvas

Placeholder canvas
Homeচতুর্থ স্তম্ভFourth Pillar | মোদিজির পায়ের তলায় ধস নামছে, উন্নয়ন নয়, এবার হিন্দু-মুসলমান...
Fourth Pillar

Fourth Pillar | মোদিজির পায়ের তলায় ধস নামছে, উন্নয়ন নয়, এবার হিন্দু-মুসলমান খেলায় নেমে পড়েছেন

আরএসএস–বিজেপি, নরেন্দ্র মোদি–অমিত শাহ, দিলীপ ঘোষ আসলে মানুষকে ভুল বোঝাতে চায়

Follow Us :

কিছুদিনের জন্য উন্নয়ন, বিকাশ, বিশ্বগুরু, ফ্লাইওভার, সড়ক, ঘর, ঘর মে নল, নল মে জল ইত্যাদি বাওয়াল দেওয়ার পর বুঝেছেন গত ১০ বছরে কিছুই হয়নি। ভাগ্যিস কৃষকরা আনাজ উৎপাদন করেছিল, তাই সেই আনাজের ১০-১৫ কিলো আবার তাদের ঘরে পাঠিয়ে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আমাদের পরধান সেভক। নির্বাচন এসে যাওয়ার পরে ৪০০ পার, ৩৭০ পার ইত্যাদি রণহুঙ্কারও ছেড়েছিলেন, সঙ্গে পোঁ ধরেছিল চোখে চোখ রাখা শিরদাঁড়াহীন সংবাদমাধ্যম। এবার হঠাৎই বুঝতে পারছেন গৈলন ভৈসিয়াঁ পানি মে। মোষ ভেসে যাচ্ছে বানের জলে। কাজেই ডুবতে হুয়ে কো তিনকা হি সহি। আঁকড়ে ধরেছেন পুরনো অস্ত্র, সর্বত্র হিন্দু-মুসলমান, হিন্দু-মুসলমান শুরু করেছেন। বলছেন সাবধান আপনাদের মঙ্গলসূত্র সোনা রুপোর গয়নাও নিয়ে নেবে ওই সংখ্যালঘুরা, কারণ কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং নাকি বলেছেন যে দেশের সম্পদের উপরে নাকি এ দেশের মুসলমানদেরই সবথেকে বেশি হক, তাই কংগ্রেসকে আসতে দেওয়া যাবে না। আদত হিসেবটা কী? ১০০খানা আসনে ওনারা নেই, নেই মানে নেই। কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র, পঞ্জাব, ওড়িশা ওনারা নেই। ২৪৩টা আসনে লড়াই আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে, সেখানে কাঁটে কি টক্কর চলছে, আসন কমবে। বাকি ২০০টা আসন যেখানে কংগ্রেসের সঙ্গে মুখোমুখি সেখানে তো কংগ্রেসকে গোহারান হারায় বিজেপি, কিন্তু এখন সেখানেও বহু জায়গায় আকাশের গায়ে টক টক গন্ধ। কাজেই কংগ্রেস মুসলমানদের দল, হিন্দু ভোট আলাদা করো।

আচ্ছা মনমোহন সিং ঠিক কী বলেছিলেন, উনি তো গোপনে বলেননি। ৫২তম ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের বৈঠকে ২০০৬ সালের ৯ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছিলেন, “কোন কোন বিষয়গুলির অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত, তা আমাদের কাছে খুব স্পষ্ট। কৃষি, সেচ, জলসম্পদ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গ্রামীণ পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ, তফসিলি জাতি ও উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি, সংখ্যালঘুর নারী ও শিশুর উন্নয়নের কর্মসূচি আমাদের অগ্রাধিকার। তফসিলি জাতি ও উপজাতির জন্য নতুন করে পরিকল্পনা করা দরকার। এটা নিশ্চিত করতে আমাদের নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।” তিনি আরও বলেছিলেন, “প্ল্যানিং কমিশন অবশ্যই এই বিষয়গুলি পর্যালোচনা করবে। আমরা এড়াতে পারি না, আগামীতে কেন্দ্রের সম্পদের আরও প্রসার ঘটবে। দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে দেশের মুসলিমরা যাতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন, যাতে সমস্ত বিষয়ে সমান অধিকার পান, উন্নয়নের সমান অংশীদার হতে পারেন, তার জন্য আমাদের উদ্ভাবনী পরিকল্পনা ভাবতে হবে। সম্পদের প্রতি যেন তাদের সর্বপ্রথম অধিকার থাকে।” তাদের মানে? দেশের পিছিয়ে পড়া গরিব মানুষ, তফশিলি জাতি, উপজাতি, সংখ্যালঘু সমস্ত মানুষের প্রথম অধিকার। একজন সুস্থ, শিক্ষিত মানুষের যা বলা উচিত তাই তিনি বলেছেন, আর সেই বক্তব্যকে নির্লজ্জ মিথ্যেবাদীর মতো বিকৃত করে এক প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখছেন, যা আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। উনি মিথ্যে কথা শুধু বলেনই না, নির্লজ্জের মতো মিথ্যে বলেন।

একটা ১৪০ কোটি মানুষের দেশের সরকারের প্রধান মানুষটা প্রকাশ্যেই বললেন মুসলমানদের জনসংখ্যা বাড়ছে, তারাই দখল নেবে দেশের সম্পদের, ভাবা যায়? একজন প্রধানমন্ত্রীর মুখের ভাষা, যা বলার জন্য যে কোনও সভ্য দেশে সেই মানুষকে জেলে পাঠানো উচিত, তিনি সেটা নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বলছেন। সত্যিটা কী? অসমে জনসংখ্যা বিল আনা হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে, ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ ল কমিশন এই বিলের এক খসড়াও বানিয়ে ফেলেছে। গোদি মিডিয়া এক ধাপ এগিয়ে, সেটাকেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিল বলে চালানো শুরু করেছে, ইউনিয়ন সরকারও নাকি এরকম একটা বিল আনবে, এরকম কথা হাওয়ায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজের দলের নেতাই যাকে জোকার মনে করে, সেই দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, উত্তরপ্রদেশের মতো বাংলাতেও জনসংখ্যা বিল আনা হোক, উনি রাজ্য ল কমিশন আর সরকারের ফারাক বুঝবেন না এটা স্বাভাবিক, কিন্তু দাবি করেছেন, বাংলায় জনসংখ্যা বিল চাই। এটা বিজেপির সামনের নির্বাচনে এক নতুন অস্ত্র হতে চলেছে, সেই নয়া হাতিয়ার নিয়ে কয়েকটা কথা, সবথেকে আগে দিলু ঘোষের কথায় আসা যাক। উনি বলেছেন, উত্তরপ্রদেশের মতো আমাদেরও জনসংখ্যার বিল আনা উচিত। মানে ওনার ধারণা, জনসংখ্যার সমস্যা সারা দেশে একরকম, তাই বাংলাতেও ওইরকম একটা বিল আনা উচিত। প্রথমত, উত্তরপ্রদেশ সরকার এখনও কোনও বিল আনেনি, খসড়া তৈরি করেছে একটি স্বশাসিত সংস্থা, উত্তরপ্রদেশ ল কমিশন, তার মানে আসলে জল মাপা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | খেলা ঘুরছে, চাকা ঘুরছে, পরধান সেভক মোদিজি নার্ভাস

তো জনসংখ্যার বৃদ্ধি কী দিয়ে মাপা যায়? ফার্টিলিটি রেট দিয়ে, একজন নারীর সারা জীবনে ক’টা সন্তান হচ্ছে, তার পরিসংখ্যান দিয়ে। তো উত্তরপ্রদেশের ফার্টিলিটি রেট কত? ৩.১, মানে উত্তরপ্রদেশের তিনজন মহিলা প্রায় ৯টি সন্তানের জন্ম দেয়, আর বাংলায়? আমাদের রাজ্যে ফার্টিলিটি রেট ১.৬, মানে উত্তরপ্রদেশের অর্ধেকেরও কম। এটা দিলীপ ঘোষের জানা নেই, যেমন জানা নেই সারা দেশের গড় ফার্টিলিটি রেট ২.২, অর্থাৎ আমাদের বাংলা সারা দেশের চেয়ে অনেক, অনেক ভালো জায়গায় আছে, এবং তথ্য বলছে এ রাজ্যে ফার্টিলিটি রেট যে ভাবে কমছে তাতে আগামী ১০-১৫ বছরে এই ফার্টিলিটি রেট ১.১-এ পৌঁছে যাবে। এসব না জানা থাকায় দিলীপ ঘোষ কথা বলছেন, যাকে সাধারণভাবে ভাট বকা বা বাজে বকা বলা চলে। এবার আসুন দেখি, ওই খসড়াতে কী আছে। অসমের বিল, উত্তরপ্রদেশের ল কমিশনের খসড়াতে বলা হয়েছে মোদ্দা দুটো কথা। এক, দুটোর বেশি সন্তান হলে সরকারি চাকরি পাওয়া যাবে না। এমন নয় যে যাদের দুটোর বেশি বাচ্ছা আছে, তাদের উপর এই আইন লাগু হবে, আইন হওয়ার এক লেজিটিমেট, যুক্তিযুক্ত সময়ের পরেই তা লাগু হবে, এবং তাদেরকে স্থানীয় নির্বাচনে, মানে পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, কর্পোরেশন ইত্যাদি নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। তো প্রথমেই একটা কথা ভাবুন, কতজন সরকারি চাকরি পায়? কতজন নির্বাচনে দাঁড়ায়? এই আইনের খেলাপকারীদের, কিছু কিছু ভর্তুকিও না দেওয়ার কথা আছে, তো তার সংখ্যাই বা কত? আসলে এই আইনের কথা, আইন আনার কথা এক নির্বাচনী অস্ত্র, যার প্রথমভাগ আগেই ছোড়া হয়ে গেছে। মুসলমানদের জন্য আমাদের জনসংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, ওদের জন্যই আসলে দেশের এই অর্থনৈতিক দুরবস্থা, অতএব সেটা আটকাতে জনসংখ্যা বিল আনতে হবে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে আনা হচ্ছে, অবিজেপি শাসিত রাজ্যে আনা হচ্ছে না, ওরা মুসলমানদের জনসংখ্যার এই বৃদ্ধির কারণ, অতএব সুখী সমৃদ্ধ ভারতবর্ষ বিজেপিকে ভোট দিন, নির্বাচন এলে এটাই প্রচার। সত্যিটা কী? উত্তরপ্রদেশে মুসলমান জনসংখ্যা ১৩-১৪ শতাংশ, বাকি হিন্দু। ওখানে ফার্টিলিটি রেট ৩.১। আর বাংলায় মুসলমান জনসংখ্যা ৩৩ শতাংশের বেশি, ফার্টিলিটি রেট ১.৬। ভারতবর্ষে বিহার, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ ইত্যাদি বহু রাজ্যের থেকে কম, এমনকী কেরালার থেকেও কম, দেশের সবচেয়ে বেশি ফার্টিলিটি রেট কোথায়? পুরো হিসেবটা পাচ্ছি ২০১৬ সালের। উত্তরপ্রদেশ ৩.১, বিহার ৩.৩, মধ্যপ্রদেশ ২.৮, ঝাড়খণ্ড ২.৬, গুজরাত ২.২, অসম ২.৩ আর বাংলা ১.৬। অর্থাৎ হিন্দি গোবলয় আমাদের দেশের জনসংখ্যা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী। এবং সেই সব রাজ্য, যেখানে মুসলমান জনসংখ্যা অপেক্ষাকৃত বেশি, সেই রাজ্যগুলোতে ফার্টিলিটি রেট কম, যেমন পশ্চিমবঙ্গ, এমনকী অধুনা বিজেপি শাসিত অসমেও অপেক্ষাকৃত কম। আমাদের দেশে, জনসংখ্যা নিয়ে এই চিল চিৎকার, আগেও হয়েছে। জরুরি অবস্থার সময় নসবন্দি অভিযান চলেছিল, ফলাফল কী? ল্যান্সেটের তথ্য বলছে, ১৯৭৫-৮০তে ফার্টিলিটি রেট ছিল ৪.৯৭, আর ১৯৮০-৮৫তে সেই হার কমে দাঁড়ায় ৪.৬৮, অর্থৎ সেরকম কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। অথচ ১৯৯৫-২০০০ ফার্টিলিটি রেট ছিল ৩.৪৮, ২০১০- ২০১৫তে তা কমে দাঁড়াল ২.৪, কেন? এই সময়ের মধ্যে তো কোনও জনসংখ্যার আইন আনা হয়নি, তাহলে?

আসলে খেয়াল করুন, এই সময়ের মধ্যে দেশের অর্থনীতি অনেকটা ভালো হয়েছিল, জিডিপি বেড়েছিল, গড় আয় বেড়েছিল, মানুষের হাতে কিছু টাকা এসেছিল, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর জন্য মিড ডে মিল দেওয়ার ফলে বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছিল, ১০০ দিনের কাজের টাকা পাচ্ছিল গরিব মানুষেরা, অর্থনীতির উন্নয়ন জনসংখ্যা হ্রাসের প্রথম শর্ত, মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নতি হলেই তারা সন্তানকে আরও বেশি সুযোগ দিতে চায়, স্কুলে পাঠাতে চায়, ভালো করে মানুষ করতে চায়। তারা নিজেরাই চায় কম সন্তান হোক, উন্নত দেশের জনসংখ্যা কম, বা কমেছে এই কারণেই। এতটাই কমেছে যে তাদের সরকার এখন বলছে, ৩টে সন্তান হলে কিছু বেশি সুযোগ সুবিধে দেওয়া হবে, চীনেও একই অবস্থা। তাদের জন বিস্ফোরণ থামাতে তাদের সরকার বলেছিল একটার বেশি সন্তান নয়, এবং অনিচ্ছা সত্ত্বেও চীনের মানুষজন সন্তানের সংখ্যা কমিয়েছিল। কিছুদিন আগে চীনের সরকার বলেছিল ২টো সন্তান হতেই পারে, এখন বলছে ৩টে সন্তান হোক, কিন্তু মানুষ রাজি নয়।

আসলে ফার্টিলিটি রেট কমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণে, সারা দেশে আয় কমবে, বেকারত্ব বাড়বে, জীবনযাপনের মান কমবে আর জনসংখ্যা আইন করে সামলানো যাবে এমন তত্ত্ব হাস্যকর এবং মিথ্যে, কিন্তু আরএসএস বিজেপি, দিলীপ ঘোষ থেকে নরেন্দ্র মোদি ঠিক এটাকেই অস্ত্র করতে চান, ইশারা অন্য দিকে, মুসলমানদের জনসংখ্যা বাড়ছে। উত্তরপ্রদেশের ফার্টিলিটি রেট, আর পাকিস্তানের ফার্টিলিটি রেট প্রায় এক, কেন? আগেই বলেছি। সারা পৃথিবীতে গরিব, পিছিয়ে পড়া দেশের ফার্টিলিটি রেট বেশি, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ সেখানে বেশি, কেন? আগেই বলেছি। আমাদের দেশে হিন্দু এবং মুসলমানদের ফার্টিলিটি রেট বেশি, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈনদের অনেক কম। হিন্দুদের ফার্টিলিটির হার কমছে, কিন্তু তারচেয়ে অনেক দ্রুত কমছে মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার। এটা দিলীপ ঘোষ, মোদি-শাহরা জানেন, কিন্তু চেপে যাচ্ছেন। তাঁদের, মানে সরকারের তথ্য বলছে, সাধারণভাবে দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে, মুসলমান জনসংখ্যার ফার্টিলিটি রেট, উত্তর ভারতের হিন্দু জনসংখ্যার ফার্টিলিটি রেটের চেয়ে অনেক কম। ২০০০ সাল থেকে, মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার কমছে ৫ শতাংশ, তুলনায় হিন্দু জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার কমছে ১.৫ শতাংশ। এই বাংলায় ফার্টিলিটি রেট দুই জনসমুদায়েরই প্রায় সমান।

আমাদের প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচনী অফিসার, এস ওয়াই কুরেশি এই নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেছেন, সেই তথ্য অনুযায়ী, যদি একই অবস্থা চলতে থাকে তাহলেও, ২১০১ সালে দেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৭০ কোটিতে, যার মধ্যে হিন্দু জনসংখ্যা হবে ১২৭ কোটি, মুসলমান জনসংখ্যা হবে ৩২ কোটি। সেই বছরে তাঁর হিসেব অনুযায়ী ফার্টিলিটি রেট দাঁড়াবে ২.১-এ, হ্যাঁ, দুই ধর্মের মানুষজনের। আসলে তার বহু আগেই কমবে, চাবিকাঠি ওই অর্থনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে লুকিয়ে আছে। সেই মূল সমস্যা না সামলাতে পেরে, সেই মূল সমস্যা থেকে মানুষের চোখ ঘোরানোর জন্য, তারা জনসংখ্যা বিলের কথা বলছেন। তবে একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় আছে, তা হল দেশের জনসংখ্যার উপর নির্ভর করে সাংসদ, বিধায়ক ইত্যাদির সংখ্যা, এইভাবে গোবলয়ের জনসংখ্যা বাড়লে, অবিবেচক রাজ্য এবং রাজ্য সরকারের কাছে থাকবে বেশি সংখ্যক এমএলএ, এমপি, সেটা একটা সমস্যা বটে।

তাহলে কী দাঁড়াল? আরএসএস–বিজেপি, নরেন্দ্র মোদি–অমিত শাহ, দিলীপ ঘোষ আসলে মানুষকে ভুল বোঝাতে চায়, এক চরম অন্যায়, মিথ্যে অস্ত্র নিয়ে মানুষের ভোট পেতে চায়, একথা আজ প্রত্যেককে বুঝতে হবে, বোঝাতে হবে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Video thumbnail
Stadium Bulletin | Virat Kohli | বিরাট রাজের বিদায়
00:00
Video thumbnail
Sandeshkhali | সন্দেশখালির আন্দোলন কি সাজানো?
00:00
Video thumbnail
আমার শহর (Amar Sahar ) | ভোট যুদ্ধে যুযুধান দুই শিবির, জমজমাট বাঁকুড়ার ভোট
02:15
Video thumbnail
Dilip Ghosh | প্রার্থীকে ছাড়াই মেজিয়াতে দিলীপ ঘোষ, সুভাষ সরকারের দেখা না পেয়ে কটাক্ষ তৃণমূলের
01:27
Video thumbnail
Loksabha Election 2024 | কেশপুরের ভারপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা তন্ময় ঘোষ গ্রেফতার
01:32
Video thumbnail
৪টেয় চারদিক | 'আমাকে চেনে না, মমতাকে হারিয়েছি', নন্দীগ্রাম নিয়ে হুঙ্কার শুভেন্দুর
47:59
Video thumbnail
Abhishek Banerjee | 'শান্ত বাংলাকে অশান্ত করতে চায় বিজেপি' : অভিষেক
17:24
Video thumbnail
Mamata Banerjee | সৌগত রায় ও সায়ন্তিকার প্রচারে জন্য আজ কলকাতার পথে মমতা
03:09
Video thumbnail
Nandigram | 'নন্দীগ্রামে বিজেপির গুন্ডাদের তাণ্ডব', বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বিজেপি: তৃণমূল
02:06
Video thumbnail
Mayna BJP | ময়নাতে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে
01:24