Placeholder canvas

Placeholder canvas
HomeScrollআদালতের নির্দেশের পরেও বলরামপুরে অভিযুক্তরা ধরা পড়েননি, ক্ষুব্ধ বিচারপতি

আদালতের নির্দেশের পরেও বলরামপুরে অভিযুক্তরা ধরা পড়েননি, ক্ষুব্ধ বিচারপতি

বেলা ২টোয় ফের মামলার শুনানি, এসপিকে ভার্চুয়ালি হাজিরার নির্দেশ, আইসিকে সশরীর থাকতে হবে

Follow Us :

কলকাতা: হাইকোর্ট (Calcutta High Court) সময় বেঁধে দিয়েছিল। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশের পর ২০ ঘণ্টা পার, মঙ্গলবারও শিক্ষক নিগ্রহে অভিযুক্তদের কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। এখনও অধরা বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ। মঙ্গলবার আদালতে রাজ্য জানাল, প্রধান শিক্ষক-সহ এফআইআরে অভিযুক্ত অন্যদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এদিন দুপুর ২টো  নাগাদ বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে হাইকোর্ট। এসপিকে ভার্চুয়ালি হাজির থাকতে বলেছে আদালত। ওই সময় নরেন্দ্রপুর থানার (Narendrapur police station) আইসিকে সশরীর হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে (Narendrapur Balrampur MN Vidyamandir) হানা দেয় ৫০-৬০ জনের একটি দল। স্কুলেই হামলার ঘটনা ঘটে। স্কুলের টির্চাস রুমে ঢুকে শিক্ষক-শিক্ষিকারদের মারধর করা হয়। সোমবার নরেন্দ্রপুরে শিক্ষক নিগ্রহের মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু (Justice Biswajit Bose) মঙ্গলবার সকালের মধ্যে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ইমতিয়াজ আহমেদসহ এফআইআরভুক্তদের গ্রেফতারির নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইমতিয়াজ আহমেদ স্কুলে ঢুকতে পারবেন না। হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা ফুরালেও ওই ঘটনায় গ্রেফতারির সংখ্যা এখনও ২। প্রধান শিক্ষক বা বাকি অভিযুক্তরা কোথায় রয়েছেন তা জানা যায়নি। 

রাজ্যের আইনজীবী জানান, সোমবার আদালতের নির্দেশের পর থেকে ৩-৪ জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। কাউকে পাওয়া যায়নি। কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। পাল্টা বিচারপতি বলেন, পঞ্চায়েত সদস্যকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি ! এটা কীভাবে সম্ভব ? পুলিশ সুপারকে বলুন অবিলম্বে বিষয়টি দেখতে। তাঁকে তো আমি ব্যক্তিগত ভাবে এটা দেখতে বলেছিলাম। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানান, এই মামলার পরবর্তী শুনানি বেলা ২ টোয়।  বিচারপতি বলেন, এই সব পঞ্চায়েত সদস্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। 

আরও পড়ুন: দুয়ারে সরকারে ডেড লাইন নবান্নের!

এদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের সহ – অধিকর্তাদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিচারপতি বসু। দুই সহ – অধিকর্তা তপন কুমার সিনহা ও অনিন্দ্য কুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারপতি বসু বলেন, আদালতের নির্দেশে স্কুলের দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে আপনারা ( সহ – অধিকর্তা) গিয়েছিলেন। গিয়ে কী করলেন ? জেলা স্কুল পরিদর্শক দুটি রিপোর্টে  স্পষ্ট করে আর্থিক দুর্নীতির কথা জানিয়েছিলেন। সেই রিপোর্ট আপনারা ছুড়ে ফেলে দিলেন? শিক্ষা দফতরের কমিশনারকে যে অভিযোগ স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছিলেন সেগুলো খতিয়ে দেখলেন না আপনারা ? তিনি বলেন, স্কুলে যে ঘটনা ঘটেছে সেখানে চক্রান্তে জড়িত থাকার অভিযোগে সহ – অধিকর্তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১২০বি ধারায় মামলা হওয়া উচিত। আপনারা(সহ – অধিকর্তারা) কি পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন? 

এদিনও স্কুলে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি। পড়ুয়ার সংখ্যা ছিল সোমবারের মতোই। তারা আসতে ভয় পাচ্ছে। আসতে ভয় পাচ্ছে তারা। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে স্কুলে এসছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁরা জানান, ছাত্র-ছাত্রীরা ভয়ে আসছে না। আতঙ্কিত শিক্ষক-শিক্ষিকারাও।

আরও অন্য খবর দেখুন

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments